ওজন কমায় হলুদ-দুধ! জেনে নিন কীভাবে তৈরি করবেন

January 24, 2018 5:46 am
ওজন কমায় হলুদ-দুধ! জেনে নিন কীভাবে তৈরি করবেন

ওজন কমায় হলুদ-দুধ! জেনে নিন কীভাবে তৈরি করবেন

ওজন কমায় হলুদ-দুধ! জেনে নিন কীভাবে তৈরি করবেন

দুধে হলুদ মেশিয়ে নিয়মিত খেলে নানা ধরনের রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। বিশেষ করে ঋতু পরিবর্তনের সময় যে সর্দি -কাশি হয় তা থেকে বাঁচাতে সাহায্য করে এই খাবারটি। যেকোন ধরনের সংক্রমণ সারাতেও হলুদ-দুধ বেশ উপকারী। হলুদ-দুধের আরও জানা-অজানা উপকার সম্পর্কে আমাদের এই আলোচনা-

ভিডিওতে দেখতে নিচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇓

১। যারা ওজন কমাতে চান তারা রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে খেতে পারেন এক গ্লাস দুধ ও একটুখানি হলুদ। এটি ওজন কমাতে সাহায্য করবে। হলুদে থার্মোজেনিক নামে এক ধরনের উপাদান থাকে যা শরীরের মেটাবলিজম বাড়াতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে ক্যালরিও কমায়। হলুদে রয়েছে ফাইবার, যা শরীরের অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। আবার দুধে থাকা প্রোটিন এবং ক্যালশিয়াম একদিকে যেমন শরীরে পুষ্টিবৃদ্ধি করে অন্যদিকে মেদ ঝরাতেও সাহায্য করে।

২। মানব শরীরের অ্যাডিপোজ টিস্যুর বৈশিষ্ট্য হলো ফ্যাট জমিয়ে রাখা। ফ্যাট জমিয়ে রাখার ফলেই ওজনাধিক্য দেখা দেয়। হলুদে আছে সারকিউমিন যা অ্যাডিপোজ টিস্যুকে ফ্যাট আহরণ করতে দেয় না। ফলে নিয়মিত হলুদ দুধ পান করলে শরীরে মেদ জমতে পারে না।

৩। হলুদমিশ্রিত দুধের আয়ুর্বেদিক উপাদান প্রাকৃতিকভাবে রক্ত পরিশোধনে সহায়তা করে। রক্ত সঞ্চালনেও সাহায্য করে হলুদ-দুধ।

৪। হলুদের থারমোজেনিক প্রোপার্টি মেটাবোলিজম বাড়াতে সহায়তা করে। আদারই কাছাকাছি জাতের এই মশলাটিতে সোগাওল এবং জিনগারোল আছে যা মেটাবোলিজম বাড়িয়ে ক্যালরি পোড়াতে সহায়তা করে।

জেনে নিন কীভাবে তৈরি করবেন হলুদমিশ্রিত দুধ:

উপকরণ:

কাঁচা হলুদ- এক ইঞ্চি (টুকরা করা)
দুধ- ২২০ মিলি
চিনি অথবা মধু- স্বাদ মতো
গোলমরিচ গুঁড়া- এক চিমটি

প্রস্তুত প্রণালী:

একটি পাত্রে হলুদ কুচি ও দুধ একসঙ্গে ফুটান। চুলা থেকে নামিয়ে ঢেকে রাখুন কিছুক্ষণ। গরম থাকতে থাকতেই ছেঁকে মধু অথবা চিনি মিশিয়ে নিন। গোলমরিচ গুঁড়া ছিটিয়ে পরিবেশন করুন হলুদ-দুধ। চাইলে কাঁচা হলুদের বদলে হলুদ গুঁড়া মিশিয়েও বানাতে পারেন হলুদ-দুধ।

নিজের হার্ট এটাক হলে কিভাবে বাঁচবেন ?

December 29, 2017 6:58 am
নিজের হার্ট এটাক হলে কিভাবে বাঁচবেন ?

নিজের হার্ট এটাক হলে কিভাবে বাঁচবেন ?

নিজের হার্ট এটাক হলে কিভাবে বাঁচবেন ?

মনে করুন, সন্ধ্যা ছয়টার সময় একা একা বাড়িতে বসে আছেন। বাসার মানুষেরা অন্য কামরাতে বসে টিভি দেখছে। হঠাৎ করে আপনার বুকে প্রচণ্ড ব্যথা শুরু হলো এবং সেই ব্যথা যেন আস্তে আস্তে করে আপনার নিচের চোয়ালের দিকে হেঁচড়ে আসা শুরু করলো! আপনার কাছাকাছি কেউ নেই। আপনি বুঝতে পারছেন, আপনার হৃদপিণ্ডে ক্রিয়া বন্ধ হবার উপক্রম হয়েছে। এখন আপনি কি করবেন???

হার্ট এটাক হবার ফলে অধিকাংশ সময় মানুষ মারা যান, কারণ তারা একা থাকেন। অন্য কারো সাহায্য ছাড়া তাদের বুকের ওপর পাম্প করে হৃদযন্ত্রে রক্ত সঞ্চালন সম্ভব হয় না, এবং ব্যথা শুরু হবার পরে অজ্ঞান হয়ে যাবার আগ পর্যন্ত সাধারণত তাদের হাতে ১০ সেকেণ্ড সময় থাকে ।

এমতাবস্থায় বুকে ব্যথার শিকার ব্যক্তি নিজেকে সাহায্য করতে পারেন বারংবার জোরে জোরে উচ্চস্বরে কাশি দিয়ে।

– লম্বা করে শ্বাস নিন। এবার কাশুন। লম্বা সময় নিয়ে দীর্ঘ কাশি দিন। এর ফলে আপনার ফুসফুসে স্পাটাম/মিউকাস উৎপন্ন হবে।

– ‘শ্বাস – কাশি, শ্বাস – কাশি…’ এই প্রক্রিয়া প্রতি দুই সেকেণ্ডে একবার করে করতে থাকুন, যতক্ষণ না কেউ আপনার সাহায্যে এগিয়ে না আসে অথবা যতক্ষণ আপনার হৃদযন্ত্র একা একাই স্বাভাবিকভাবে স্পন্দিত হতে থাকে।

– লম্বা করে শ্বাস নেবার ফলে আপনি পর্যাপ্ত অক্সিজেন পাবেন। আর কাশির ফলে আপনার হৃদযন্ত্র সংকোচন-প্রসারণ হবে যার ফলে আপনার হৃদপিণ্ডের ভিতর দিয়ে রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।

– এবং কয়েকবার কাশির ফলে উৎপন্ন সংকোচন-প্রসারণে হৃদযন্ত্রের স্বাভাবিক, স্বয়ংক্রিয় স্পন্দনে ফিরে আসার কথা। এরপরে অপর কোনো ব্যক্তির সাহায্যে আপনি হাসপাতালে পৌঁছতে পারবেন।

আপনি শিখে নিলেন। আপনি কি চান না আপনার প্রিয়জনটাও শিখে নিক? বাবা-মা, ভাই-বোন, দাদা-দাদি, নানা-নানি, বন্ধু-বান্ধব, সবাইকেই শেখান। সাহায্যহীনভাবে হার্ট এটাক করে যেন কেউ আর মৃত্যুবরণ না করে।

পোস্টগুলো অবহেলা করবেন না। লাইক দিয়ে একটিভ থাকুন।
প্রিয়জনকে জানাতে শেয়ার করুন, কে জানে কার কাজে লাগবে !!!

ছুলির কারণ, লক্ষণ, উপসর্গ ও বাঁচার উপায়

October 24, 2017 5:06 am
ছুলির কারণ, লক্ষণ, উপসর্গ ও বাঁচার উপায়

ছুলির কারণ, লক্ষণ, উপসর্গ ও বাঁচার উপায়

ছুলির কারণ, লক্ষণ, উপসর্গ ও বাঁচার উপায়

ছুলি একটি পরিচিত সমস্যা। মোট জনসংখ্যার মোটামুটি ১০% মানুষের এই রোগ রয়েছে। এই রোগ তা সাধারণত বুকে, পিঠে, গলায় এবং হাতে বেশি দেখা যায়। এগুলো সাধারণত অ্যালার্জিক কারণে হয়ে থাকে, তবে অনেক ক্ষেত্রে অ্যালার্জিক কারণ ব্যতিরেকে অন্য কারণেও রক্তস্ফোট হয়ে থাকে।

অধিকাংশ দীর্ঘস্থায়ী রক্তস্ফোট অজানা ইডিওপ্যাথিক কারণে হয়ে থাকে । প্রায় ৫০% রোগীর ক্ষেত্রে যাদের দীর্ঘস্থায়ী ছুলি হয়, এর কারণ একটি স্বয়ংক্রিয় ইমিউন প্রতিক্রিয়া।

কারণ-

স্যাঁতসেঁতে ও গরম আবহাওয়ায় এ ছত্রাকের আক্রমণ বেশি হয়। দেহের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমে গেলে, স্টেরয়েড ট্যাবলেট সেবনেও ছুলি হতে পারে। অনেকে যেখানে একত্রে থাকে, জিনিসপত্র ব্যবহার করে, সেখানে এই ছত্রাকের সংক্রমণ দ্রুত ছড়ায়। যেমন: মেস, ব্যারাকে, ডরমিটরি, হোস্টেল ইত্যাদিতে। এক পরিবারের একজনের ছুলি হলে অন্য সদস্যরাও আক্রান্ত হতে পারে।

লক্ষণ-

ছুলি দেখতে ছোপ-ছোপ আকারের গোলাকার কিংবা একসাথে এরা মিশে থাকতে পারে। এদের রং হালকা, গোলাপী কিংবা ব্রাউন কালার এর হতে পারে, যাদের ত্বক গাঢ় বর্ণের তাদের ক্ষেত্রে হালকা রং ,যাদের ত্বক সাদা অর্থাত ফর্সা মানুষ তাদের ক্ষেত্রে গোলাপী কিংবা ব্রাউন কালার হয়ে থাকে। আর এইটা হলে সেই জায়গাটাতে চুলকানি হতে পারে। আর এটিদেখতে অনেক ক্ষেত্রে শ্বেতি রোগীদের মত । মেলাসেজিয়া নামের এক প্রকারের ছত্রাকের কারণে এই রোগ টা হয় , তবে মেলাসেজিয়া আবার অনেক প্রকারের রয়েছে।

বাঁচার উপায়-

১। স্যাঁতসেঁতে আর্দ্র আবহাওয়ায় যথেষ্ট পরিচ্ছন্ন থাকুন।

২। শরীরের যেসব স্থানে ঘাম বেশি হয় সেসব স্থান বারবার ধুয়ে পরিষ্কার ও শুকনো রাখুন। গরমের দিন রোজ একবার বা দুবার গোসল করুন। ঘামে ভেজা পোশাক পাল্টে ফেলুন ও না ধুয়ে আর ব্যবহার করবেন না।

৩। অন্যের ব্যবহৃত তোয়ালে, রুমাল ইত্যাদি ব্যবহার করবেন না।

৪। একাধিক ব্যক্তি কখনো একই ক্ষুরে মাথা বা দাঁড়ি কামাবেন না।

৫। সাধারণত সেলেনিয়াম সালফাইড বা ২ শতাংশ কিটোকোনাজল শ্যাম্পু এবং এর সঙ্গে অ্যান্টিফাঙ্গাল ওষুধ দিলে ছুলি বা সৌদ ভালো হয়ে যায়। এছাড়া পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা এ রোগ থেকে মুক্তির অন্যতম মহৌষধ।

হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত খান এই ঘরোয়া ওষুধটি

October 17, 2017 6:19 am
হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত খান এই ঘরোয়া ওষুধটি

হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত খান এই ঘরোয়া ওষুধটি

হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত খান এই ঘরোয়া ওষুধটি

আপনি কি ভাজা-পোড়া খাবার বেশি খান? সেই সঙ্গে দেদারসে চলে মদ্যপান এবং ধূমপান। এদিকে অফিসের কাজে মাঝে মধ্যে রাতও জাগতে হয়? তাহলে তো এই লেখাটি আপনার জন্যই লেখা। কারণ এমন অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা চালিয়ে গেলে প্রথমে কোলেস্টেরল, তারপর তা থেকে একে একে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক প্রভৃতি মারণ রোগের আশঙ্কা বাড়তে থাকে। তাই কম বয়সে যদি মরে যেতে না চান, তাহলে একবার অন্তত চোখ রাখুন এই লেখায়।

শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে তা গিয়ে জমতে শুরু করে আর্টারিতে। আর এই কারণে যদি হার্টে ঠিক মতো রক্ত পৌঁছাতে না পারে তাহলে হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা বাড়ে। শুধু তাই নয়। অনিয়ন্ত্রিত কোলেস্টেরলের কারণে ওবেসিটি, স্ট্রোক, ব্লাড প্রেসার প্রভৃতি রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে।

আপনি কি এইসব মারণ রোগের হাত থেকে নিজেকে দূরে রাখতে চান? তাহলে এই লেখায় আলোচিত ঘরোয়া ওষুধটি আজ থেকেই খাওয়া শুরু করুন।

ওষুধটির উপকরণ

১.ধনে পাতা :হাফ কাপ
২.মধু :১ চামচ

একাধিক গবেষণায় এ কথা প্রমাণিত হয়েছে যে নিয়মিত এই ঘরোয়া ওষুধটি খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যদি শরীরচর্চার দিকে নজর দেওয়া যায় এবং জাঙ্ক ফুড থেকে দূরে থাকা যায়, তাহলে দ্রুত কোলেস্টেরল কমতে শুরু করে।

প্রসঙ্গত, ধনে পাতায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার এবং ভিটামিন-সি, যা কোলেস্টেরল কমাতে দারুণ কাজে আসে।

অপরদিকে মধুতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রপার্টিজ। এটিও শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

ওষুধটি বানানোর পদ্ধতি

১. ব্লেন্ডারে পরিমাণ মতো ধনে পাতা আর পানি নিন।
২. ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন ধনে পাতাটা।
৩. এবার মধু মেশান।
৪. ভালো করে উপকরণ দুটি মিশিয়ে নিন।
৫. টানা ২ মাস ব্রেকফাস্টের পর এই মিশ্রনটি খেলে দেখবেন অল্প দিনেই কোলেস্টেরল লেভেল একেবারে স্বাভাবিক হয়ে গেছে।

গর্ভাবস্থায় যেসব প্রসাধনী একদমই ব্যবহার করা উচিত না

October 16, 2017 3:10 am
গর্ভাবস্থায় যেসব প্রসাধনী একদমই ব্যবহার করা উচিত না

গর্ভাবস্থায় যেসব প্রসাধনী একদমই ব্যবহার করা উচিত না

গর্ভাবস্থায় যেসব প্রসাধনী একদমই ব্যবহার করা উচিত না

গর্ভাবস্থায় কী করা যাবে, আর কি করা যাবে না এগুলো কমবেশি সবার জানা। তবে অনেকে সাজসজ্জায় নানান ধরনের প্রসাধনী ব্যবহার করেন কিন্তু গর্ভাবস্থায় অনেক সাজসজ্জা থেকে দূরে থাকা উচিত। কারণ এই প্রসাধনীগুলো ক্ষতি করতে পারে আপনার গর্ভের সন্তানের।

তাহলে চলুন জেনে নিই কোন প্রসাধনীগুলো গর্ভবস্থায় ব্যবহারে ঝুঁকি রয়েছে। দেখতে নিচের ছবিতে ক্লিক করুন।

অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড হেক্সাহাইড্রেট

এই উপাদানটি থাকে অ্যান্টিপারস্পিরেন্ট ধরণের বডি স্প্রে বা রোল অনে। অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড হেক্সাহাইড্রেট এবং অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরোহাইড্রেট আছে কিনা তার ব্যপারে সাবধান থাকুন।

বেটা হাইড্রক্সি অ্যাসিড

স্যালিসাইলিক অ্যাসিড (অনেক ফেসওয়াশে থাকে), ২-হাইড্রক্সিপ্রোপায়োনিক অ্যাসিড, ট্রেথোকেনিক অ্যাসিড এবং ট্রপিক অ্যাসিড- এগুলো আপনার প্রসাধনীর উপাদানের অন্তর্ভুক্ত থাকলে সেটা ব্যবহার করবেন না।

কেমিক্যাল সানস্ক্রিন

অ্যাভোবেনজিন, হোমোস্যালেট, অক্টিস্যালেট, অক্টোক্রাইলিন, অক্সিবেনজোন, অক্সটিনক্সেট, মেন্থাইল অ্যানথ্রানিলেট এবং অক্সটোক্রাইলিন- এসব উপাদান আছে এমন সানস্ক্রিন ব্যবহার করা বন্ধ করে দিন।

ডাইথানোলঅ্যামিন

চুলের এবং ত্বকের যত্ন নেওয়ার কিছু প্রসাধনীতে এই ধরণের রাসায়নিক থাকে। ডাইথানোলঅ্যামিন, ওলিঅ্যামাইড DEA, লরামাইড DEA এবং কোকামাইড DEA থেকে দূরে থাকুন।

ডাইহাইড্রক্সিঅ্যাসিটোন

স্প্রে সেলফ-ট্যানার ধরণের প্রসাধনীতে পাওয়া যায়। এটা নিঃশ্বাসের সাথে শরীরে গেলে ক্ষতি করতে পারে।

ফরমালডিহাইড

চুল স্ট্রেইট করতে যেসব উপাদান ব্যবহার করা হয় তার মাঝে থাকতে পারে এই রাসায়নিকটি। এর পাশাপাশি নেইল পলিশ, আইল্যাশ গ্লু এগুলতেও থাকতে পারে। ক্ষতিকর উপাদানগুলোর মাঝে আছে ফরমালডিহাইড, কোয়াটারনিয়াম-১৫, ডাইমিথাইল-ডাইমিথাইল (DMDM), হাইডেনটয়েন, ইমিডাজলিডাইনিল ইউরিয়া, ডাইঅ্যাজোলিডাইনিল ইউরিয়া, সোডিয়াম হাইড্রক্সিমেথাইলগ্লাইসিনেট, এবং ২-ব্রোমো-২-নাইট্রোপ্রোপেন-১,৩-ডাইঅল (ব্রোমোপল)।

হাইড্রোকুইনোন

রং হালকা করতে এই রাসায়নিকটি ব্যবহৃত হয়। হাইড্রোকুইনোন, ইড্রোকিনোন এবং কুইনোল/১-৪ ডাইহাইড্রক্সি বেনজিন/১-৪ হাইড্রক্সি বেনজিন আছে এমন প্রসাধনী ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।

প্যারাবেন

প্রোপাইল, বিউটাইল, আইসোপ্রোপাইল, আইসোবিউটাইল এবং মিথাইল প্যারাবেন আছে এমন প্রসাধনী ব্যবহার করবেন না।

থ্যালেট

কৃত্রিম সুগন্ধিযুক্ত প্রসাধনী এবং নেইল পলিশে থাকে বিভিন্ন ধরণের থ্যালেট। ডাইইথাইল এবং ডাইবিউটাইল থ্যালেটের ব্যাপারে বেশি সাবধান থাকুন।

রেটিনল

অ্যান্টি-এজিং প্রসাধনীগুলোতে ইদানিং বেশি ব্যবহার হয় রেটিনল। ভিটামিন এ, রেটনয়িক অ্যাসিড, রেটিনাইল পামিটেট, রেটিনালডিহাইড, অ্যাডাপালিন, ট্রেটনয়িন, টাজারটিন, এবং আইসোরেটিনয়িন আছে এমন প্রসাধনী ব্যবহার বন্ধ রাখুন।

থায়োগ্লাইকলিক অ্যাসিড

হেয়ার রিমুভারে থাকতে পারে এই উপাদানটি। এই নাম ছাড়াও অ্যাসিটাইল মারক্যাপটান, মারক্যাপটোঅ্যাসিটেট, মারক্যাপটোঅ্যাসিটিক অ্যাসিড এবং থায়োভ্যানিক অ্যাসিড নামেও তা থাকতে পারে।

টলুইন

বিভিন্ন নেইল পলিশে থাকে টলুইন। মিথাইলবেনজিন, টলুঅল এবং অ্যান্টিসাল ১এ- এই উপাদানগুলো থাকলে তা ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। সূত্র: ফিট প্রেগনেন্সি।

ক্যান্সার প্রতিরোধ করবে ঘরের পাশের এই পাতা

October 12, 2017 4:46 am
ক্যান্সার প্রতিরোধ করবে ঘরের পাশের এই পাতা

ক্যান্সার প্রতিরোধ করবে ঘরের পাশের এই পাতা

ক্যান্সার প্রতিরোধ করবে ঘরের পাশের এই পাতা

ভেষজের দুনিয়াতে থানকুনির স্থান রয়েছে অনেক উপরে। কারণ এর রয়েছে নানান গুণ। থানকুনি বর্ষজীবী উদ্ভিদ। কোনো প্রকার যত্ন ছাড়াই জন্মে। পাতা গোলাকার ও খাঁজকাটা। থানকুনির নানা ভেষজ গুণ রয়েছে।

আসুন জেনে নেওয়া যাক সেসব গুনাগুন সম্পর্কে। ভিডিওতে দেখতে নিচের ছবিতে ক্লিক করুন।

১। স্ট্রেস দূর করেঃ

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত থানকুনি পাতা খেলে মস্তিষ্কের অন্দরে স্ট্রেস এবং অ্যাংজাইটির জন্ম দেওয়া কর্টিজল হরমোনের ক্ষরণ কমতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই মানসিক চাপ কমে যায়। ফলে ডিপ্রেশনের মতো মানসিক রোগের কবলে পরে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে না।

২। ক্যান্সার প্রতিরোধ করেঃ

থানকুনি পাতায় রয়েছে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। আর এই উপাদানটি শরীর থেকে নানা রকম ক্ষতিকর উপাদানদের বার করে দেয়। ফলে ক্যান্সার সেলের জন্ম আটকায়, তেমনি সার্বিকভাবে শরীরের কর্মক্ষমতা বাড়াতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়।

৩। রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করেঃ

থানকুনি পাতা খেলে শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন সি-এর মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, যা রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে জোরদার করে তুলতে সাহায্য করে।

৪। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে রাখেঃ

থানকুনি পাতা উচ্চ রক্তচাপকে স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে ব্লাড প্রেসার হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার কারণে যাতে কোনও ধরনের ক্ষতি না হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখে।

৫। স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করেঃ

মনোযোগ বাড়াতেও থানকুনি পাতা বিশেষ ভূমিকা নেয়। কারণ ব্রেনের হিপোকম্পাস অংশটির ক্ষমতা বাড়াছে না কমছে, তার উপর মনোযোগের বাড়া-কমা অনেকাংশেই বৃদ্ধি পায়। থানকুনি পাতা খেলে ব্রেনের হিপোকম্পাস অংশটির ক্ষমতা এতটা বেড়ে যায় যে বুদ্ধি এবং স্মৃতিশক্তি অনেক টা বেড়ে যায়।