যেভাবে অতিরিক্ত মেদ কমাবেন

January 25, 2018 6:38 am
যেভাবে অতিরিক্ত মেদ কমাবেন

মিলিটারি ডায়েট প্ল্যান অনুসরণ করে ৩ দিনে ৪ কেজি ওজন কমান - military diet for weight loss

যেভাবে অতিরিক্ত মেদ কমাবেন

শরীরের অতিরিক্ত মেদ যে কাউকে চিন্তায় ফেলে দেয়। তাই সারা দেহের মেদ সহ পেটের মেদ কমাতে শারীরিক পরিশ্রমের বিকল্প নেই। এটা যেমন নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য তাদের বাহ্যিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি স্বাস্থ্য ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তেমনি ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়া, নানা ধরনের স্ত্রীরোগ, মুখে অবাঞ্ছিত লোম এই রোগগুলো বাড়তি মেদ ও ওজন বৃদ্ধির ফলেই হয়ে থাকে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা এমনটাই বলছেন।

চলুন মেদ কমানোর কিছুই উপায় জেনে নেই-

১. প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় ব্যায়াম বা হালকা জগিং-এর মাধ্যমে এ সমস্যা দূর করা সম্ভব। ৪০ থেকে ৪৫ মিনিট জোরে হাঁটার পর বা হালকা ভাবে জগিং করার পর দেহে সঞ্চিত ফ্যাট ভাঙতে থাকে। তাই প্রতিদিন নিয়ম করে ৪০ বা ৪৫ মিনিট জোরে হাঁটলে বা জগিং করলে শরীরে জমানো ফ্যাট কমতে থাকে।

২. খাবার খাওয়ার দিকে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে। খাবারের তালিকায় শর্করা জাতীয় খাবারের চেয়ে প্রোটিন জাতীয় খাবার, আঁশযুক্ত শাক-সবজি ও ফলের পরিমাণ বেশি রখাতে হবে।

৩. চর্বিযুক্ত খাবার যতটা সম্ভব পরিহার করতে হবে। পাশাপাশি প্রচুর পানি পান করতে হবে।

৪. আপনি যেকোনো সময় না ঘুমিয়ে রাতে ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা ঘুমানোর অভ্যাস করতে হবে। এছাড়া রাতে ঘুমানোর আগে ১০ মিনিট আস্তে হাঁটলে শরীরে যে হরমোন ও এনজাইম নিঃসৃত হয় তা সারা দিনের খাবারের সঙ্গে গ্রহণ করা সম্ভব।

আপনাকে দ্রুত ওজন কমানো কথা মাথা থেকে ঝেরে ফেলতে হবে। কেননা, অতি দ্রুত ওজন কমানো হলে এতে হিতে বিপরীত কিছু হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এজন্য ধীরে ধীরে ওজন কমাতে হবে। তাই প্রতিনিয়ত নিয়ম মেনে পরিমিত ব্যায়াম করে ও খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করলে সারা দেহের মেদসহ পেটের মেদও কমিয়ে আপনার আশানুরুপ ফিগা ফিরে পাওয়া যেতে পারে।

চুল পড়া রোধের পরীক্ষিত উপায়

6:28 am
চুল পড়া রোধের পরীক্ষিত উপায়

প্রাকৃতিক উপায়ে চুলের রুক্ষতা দূর করার উপায় - to-make-hair-soft

চুল পড়া রোধের পরীক্ষিত উপায়

শীতে ত্বকের রুক্ষতার পাশাপাশি মাথার স্ক্যাল্পও অনেক রুক্ষ হয়ে যায়। যার ফলে চুলে খুশকির প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। আর সেই সাথে চুল পড়ার সমস্যাও বৃদ্ধি পায়। এসকল সমস্যা থেকে বাঁচতে আপনাকে ঘরোয়া উপকরণই সাহায্য করবে। কি সেই উপায়?

আসুন জেনে নেয়া যাক-

অনেকেই আছেন যারা চুল পড়া শুরু হলে চুলে তেল দেওয়া বন্ধ করে দেন, যা একেবারেই উচিত নয়। কারণ নারকেল তেল চুলের বৃদ্ধি ঘটাতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে নারকেল তেলের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট, খনিজ উপাদান এবং প্রোটিন থাকে, যা চুলের আগা ফেটে যাওয়া রোধ করতে পারে। নারকেল তেলের পাশাপাশি নারকেলের দুধও চুলে ব্যবহার করা যায়। পদ্ধতি- কিছুটা নারকেল তেল গরম করতে হবে। তারপর চুলের গোঁড়া থেকে আগা অবধি ভাল করে মালিশ করতে হবে। একঘণ্টা রেখে চুলে শ্যাম্পু করে নিতে হবে।

আবার, পেঁয়াজের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে সালফার থাকে, যা চুল লম্বা হতে এবং কোলাজেন উৎপন্ন করতে সাহায্য করে। চুলের গোঁড়ায় পেঁয়াজের রস লাগালে চুল পরা বন্ধ হয় এবং নতুন চুল গজায়। একটি পেয়াজ টুকরো টুকরো করে কেটে তার মধ্যে থেকে রস বের করে নিতে হবে। এবার সেই রস মাথায় ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখতে হবে। তারপর হালকা শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে এবং চুল শুকিয়ে নিতে হবে। সপ্তাহে দুইবার এই পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে।

হেনা অনেকেই চুলে ব্যবহার করে থাকেন। হেনা মূলত চুলে রঙ করতে সাহায্য করে। এছাড়াও, হেনার আরও বহু গুণ রয়েছে। যেমন, হেনা চুলকে গোঁড়া থেকে শক্ত হতে সাহায্য করে। হেনার সঙ্গে আরও বেশ কিছু উপাদান মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে চুলে মাখলে চুল ভাল থাকে। একটি পাত্রে ২৫০ মিলিলিটার সরষের তেল নিতে হবে। এরমধ্যে ৬০ গ্রাম পরিষ্কার করে শুকিয়ে রাখা হেনা পাতা অথবা মেহেন্দি পাতা দিতে হবে।

এবার এটি ফুটাতে হবে এবং তেলটি ছেঁকে নিতে হবে। তারপর এই তেল প্রতিদিন মাথায় মালিশ করতে হবে। এই তেল খুব যত্ন করে হাওয়া রোধক পাত্রে রেখে দিতে হবে।

গর্ভধারণের সময় প্রতিটি নারী যে ৮ টি ভুল করেন

6:23 am
গর্ভধারণের সময় প্রতিটি নারী যে ৮ টি ভুল করেন

গর্ভধারণের সময় প্রতিটি নারী যে ৮ টি ভুল করেন

গর্ভধারণের সময় প্রতিটি নারী যে ৮ টি ভুল করেন

গর্ভধারণের (The time of pregnancy) বিষয়টি বিয়ের পর স্বামী স্ত্রী দুজনের মিলেই ঠিক করে নিয়ে থাকেন। নারীটি গৃহিণী হোক কিংবা কর্মজীবী নারীই হন না কেন গর্ভধারণের কথা ভাবার আগে কিছু জরুরী বিষয় জেনে নেয়া ভালো বলে মত প্রকাশ করেন গাইনোকলজিস্টরা। অন্তত গর্ভধারণের অন্তত ৩ মাস আগে থেকে পরিকল্পনা করে নিজেকে তৈরি করে নেয়াই বুদ্ধিমানের কাজ বলে মনে করেন ডাক্তারগন। আর এই ৩ মাসের পরিকল্পনার আগে জেনে নেয়া উচিত কিছু argent বিষয়।

১) ফলিক এসিড

ফলিক এসিড acid সাপ্লিমেন্ট খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি গর্ভের সন্তানের অস্বাভাবিকতা প্রতিরোধে সহায়তা করে। গর্ভধারণের কথা ভাবার অন্তত ৩ মাস আগে থেকে ৫ মিলিগ্রাম পরিমাণে ফলিক এসিড সাপ্লিমেন্ট নেয়া উচিত। তবে এই সম্পর্কে নারীর মেডিক্যাল history দেখে ডোজ নির্ণয় করানো প্রয়োজন।

২) গর্ভধারণের সময় ভ্রমণ

আপনি যখন pregnancy কথা ভাবছেন তখন গারিতে ভ্রমণের ব্যাপারটি নিয়ে চিন্তা না করলেও চলে, কিত্নু গর্ভবতী হয়ে যাওয়ার পর অনেক বেশী সতর্ক থাকা প্রয়োজন। ট্রেন বা গাড়িতে ভ্রমণ খুব বেশী ঝুঁকিপূর্ণ নয় কিন্তু প্রাথমিক পর্যায়ে প্লেনে ভ্রমণ এড়িয়ে যাওয়া উচিত। কসমিক রেডিয়েশন ও ডিকম্প্রেসনের ফলে প্লেনে ভ্রমণ অনাগত শিশুর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

৩) ওজনের দিকে নজর দিন

গর্ভধারণের আগে নিজের ওজন কমানোর চেষ্টা করুন যতোটা সম্ভব। আগে থেকেই কোনো ডায়েটেশিয়ানের সাথে কথা বলে ওজন কমানোর চেষ্টা করে তারপর গর্ভধারণের কথা ভেবে নিন। আর pregnant হয়ে যাওয়ার পর কখনোই ওজন কমানোর কথা চিন্তা করবেন না। প্রতি সপ্তাহে নিজের weight test করবেন।

৪) খাদ্যতালিকা ঝুকিমুক্ত রাখুন

গর্ভধারণের আগে থেকেই নিজের দেহকে সুস্থ রাখার জন্য নিজের খাদ্যতালিকার দিকে নজর দিন। দেহে ক্ষতিকর টক্সিন জমে থাকে এমন খাবার থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখুন যতোটা সম্ভব। এবং গর্ভধারণের পর থেকে কার্বোহাইড্রেট কমিয়ে প্রোটিন, ফাইবার ইত্যাদির দিকে বেশী জোর দিন। তাজা ফলমূল ও vegetable রাখুন খাদ্যতালিকায়।

৫) ধূমপান ও মদ্যপান বাদ দিন

অনেকেই আছেন যাদের এই বাজে অভ্যাস রয়েছে। যদি গর্ভধারণের কথা চিন্তা করেন অবশ্যই এই দুটি বাজে অভ্যাস দূর করে দিন আজই।

৬) ক্যাফেইন থেকে দূরে থাকুন

গর্ভধারণের কথা ভাবা শুরু করলে প্রথমেই খাদ্যতালিকা থেকে ক্যাফেইনের পরিমাণ কমিয়ে ফেলুন। এরপর Pregnant হওয়ার পর প্রয়োজন না হলে ক্যাফেইন থেকে দূরে থাকাই ভালো।

৭) টিকা সম্পর্কে জেনে রাখু

গর্ভধারণের পূর্বেই জেনে নিন মায়ের জন্য কি কি টিকা দেয়া জরুরী। প্রয়োজনীয় টিকা দেয়ার অন্তত ১ মাস পর গর্ভধারণের চেষ্টা করা উচিত। এরপর গর্ভধারণের পর নিয়ম মেনে মায়ের জন্য প্রযোজ্য প্রতিটি টিকা সতর্কতার সাথে দিয়ে দেয়া বুদ্ধিমানের কাজ।

৮) অকাল গর্ভপাত সম্পর্কে ধারণা নিয়ে নিন

গর্ভধারণের পূর্বেই জেনে নিন আপনার জেনেটিক্স কি বলে। Abortion অনেকটা জেনেটিক কারণেও ঘটে থাকে। এছাড়া ভালো একজন গাইনোকলজিস্টের সাথে পরামর্শ করে আরও তথ্য জেনে নেয়া চাল।

মেয়েরা যে ৪টি বিষয় কখনোই ছেলেদের কাছে বলে না

5:09 am
মেয়েরা যে ৪টি বিষয় কখনোই ছেলেদের কাছে বলে না

মেয়েরা যে ৪টি বিষয় কখনোই ছেলেদের কাছে বলে না

মেয়েরা যে ৪টি বিষয় কখনোই ছেলেদের কাছে বলে না

লজ্জা নারীর ভূষণ। এটা স্বাভাবিকও বটে। মেয়েদের এমন কিছু ‘সিক্রেট’ বিষয় রয়েছে, যেটা তারা কখনোই পুরুষের সঙ্গে শেয়ার করেন না। এমনটা থাকতেই পারে, যা নিয়ে বলাবলির কিছু নেই।

আমাদের সমাজে যতই বলা হোক নারী-পুরুষ সমান অধিকার। কিন্তু যে যাই বলুক না কেন, মেয়েদের ভুবনের একান্ত পরিসরগুলোয় পুরুষের প্রবেশ আজও নিয়ন্ত্রিত।

এ বিষয়টি নিয়ে মনোবিদরা বিশেষ ভাবে চিন্তিত, আর সেই কথা একটি প্রতিবেদনে জানিয়েছে ওয়েবসাইট ‘চেঞ্জপোস্ট’। এই প্রতিবেদনে মেয়েদের এমন কিছু ‘সিক্রেট’ তথ্যের কথা বলা হয়েছে, যা তারা কখনোই শেয়ার করেন না।

এদিকে, পুরুষরাও সচরাচর এই সব প্রসঙ্গের অবতারণা মেয়েদের সঙ্গে করেন না। তবে ‘চেঞ্জপোস্ট’-এ উল্লিখিত বিষয়গুলি কিন্তু সর্বজনীন নয়। কখনো এটা ব্যতিক্রমও ঘটে থাকে।

চলুন এমন ৪ টি বিষয় জেনে নেই! যার সঙ্গে আমাদের সমাজের কিছুটা মিল রয়েছে।

১. মেয়েরা কাকে ঈর্ষা করেন, এ কথাটি কখনোই কাউকে পরিস্কার করে বলেন না। যদি তাদের কোনো ঘনিষ্ঠ জন বিষয়টির অবতারণা করেন, তাহলে তারা সরাসরি তা অস্বীকার করেন।

২. মেয়েরা মাথার চুল পাকলে তা কালো কিংবা স্বাভাবিক রং করা কথা কাউকে বলতে চান না। কোনো মহিলায় স্বীকার করতে চান না, তার চুলের রং, কলপ-রহস্য।

৩. মেয়েদের পুরুষ সঙ্গীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মুহূর্তে এমন কিছু অস্বস্তি বোধ করেন। কিন্তু মেয়েরা সেটি রীতিমতো চেপে যান। যেমন সঙ্গীর গায়ের কিংবা নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ এগুলো সহ্য করেন। কখনোই প্রকাশ করেন না।

৪. মেয়েরা পুরুষের কাছে কয়েকটি প্রসাধন, বিশেষ করে ওয়াক্সিং-এর মতো বিউটি ট্রিটমেন্টের কথা চেপে যান। অবাঞ্ছিত লোমনাশন আজও এক ‘গোপন’ কর্ম।

উপরের এই কথা গুলো মেয়েরা মুখ ফুটে না বললেও পুরুষ এর সবই জানে।

ব্রণের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে যা করবেন

4:58 am
ব্রণের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে যা করবেন

ব্রণের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে যা করবেন

ব্রণের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে যা করবেন

কিশোর বয়সে মূলত এই ব্রণের ছড়াছড়ি দেখা যায় নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলের মুখে। তৈলাক্ত ত্বক, ত্বকের অযত্ন ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে ব্রণের সমস্যা হয়। আবার শীতকালে পানি কম খাবার ফলেও মুখে বিভিন্ন ধরণের সমস্যা দেখা যায়। ব্রণের সমস্যা বেশি হলে সমাধানের জন্য ডার্মাটোলজিস্টের পরামর্শ অবশ্যই নিতে হবে। তবে এর আগে ব্রণ দূর করতে কিছু ঘরোয়া উপায় মেনে দেখতে পারেন।

কি সেই উপায় আসুন জেনে নেয়া যাক-

১। ত্বকে অতিরিক্ত তেল তেল ভাবের ফলে ব্রণের সমস্যা দেখা দেয়। এ ঝামেলা থেকে মুক্তি পেতে মুখে মুলতানি মাটি পানি দিয়ে পেস্ট করে লাগাতে পারেন। মুলতানি মাটি ত্বকের অতিরিক্ত তেল নিঃসরণ বন্ধ করে সাহায্য করে।

২। বরফ দিয়ে ব্রণের চিকিৎসা শুরু করতে পারেন। বরফের ঠান্ডাভাব ব্রণ কমাতে সাহায্য করবে। প্রথমে ত্বককে ভালোভাবে পরিষ্কার করুন। একটি বরফের টুকরোকে পরিষ্কার কাপড় দিয়ে মুড়িয়ে কয়েক মিনিট ব্রণের ওপর রাখুন। বরফ সরাসরি ত্বকে লাগাবেন না।
পাঁচ মিনিট বিরতি দিয়ে আবার ব্যবহার করুন।

৩। ডিমের ভিটামিন, এমাইনো এসিড, প্রোটিন ব্রণের ওপর কাজ করে। তবে এ ক্ষেত্রে কেবল ডিমের সাদা অংশটুকু ব্যবহার করবেন। মুখ ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করুন। ২টি ডিমের সাদা অংশ বের করে নিন। নরম ব্রাশ বা হাত দিয়ে ব্রণের মধ্যে সাদা অংশ লাগান। পাঁচ মিনিট অপেক্ষা করে আবার ডিমের সাদা অংশ দিন। কিছুক্ষণ রাখার পর মুখ ধুয়ে হালকা ধাঁচের কোনো ক্রিম ব্যবহার করুন।

৪। আপেল এবং মধুর মিশ্রণ হচ্ছে ব্রণের দাগ দূর করার সবচেয়ে জনপ্রিয় ঘরোয়া পদ্ধতি। প্রথমে আপেলের পেষ্ট তৈরি করে তাতে ৪-৬ ফোঁটা মধু মিশাতে হবে। মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষন অপেক্ষা করেএরপর মুখ ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। এটি ত্বকের টানটান ভাব বজায় রাখে এবং গায়ের রঙ হালকা করে। সপ্তাহে ৫-৬ বার এটি ব্যবহার করা যেতে পারে। আপনি কয়েকদিনের মধ্যে পরিবর্তনটা অনুভব করতে পারবেন।

৫। পেঁপে ব্রণ দূর করার উপাদান হিসেবে চমৎকার। এটি ত্বক থেকে বাড়তি তেল দূর করে এবং মুখের মৃত কোষ দূর করতে সাহায্য করে। পাঁচটি ছোট পেঁপের টুকরো ব্ল্যান্ড করুন। পেঁপের এই পেস্ট ব্রণের মধ্যে লাগান। ৩০ মিনিট এভাবে রাখার পর ধুয়ে ফেলুন। ব্রণ না কমা পর্যন্ত প্রতিদিন এটি ব্যবহার করুন।

ঘরোয়া উপায়ে তৈরি করুন নাইট ক্রিম

January 24, 2018 6:18 am
ঘরোয়া উপায়ে তৈরি করুন নাইট ক্রিম

ঘরোয়া উপায়ে তৈরি করুন নাইট ক্রিম

ঘরোয়া উপায়ে তৈরি করুন নাইট ক্রিম

সারাদিন আমাদের ত্বকে অনেক ময়লা জমে, যা ত্বককে অনেক রুক্ষ ও নোংরা করে ফেলে। এতে ত্বকের লাবণ্য ভাব চলে যায় ও ত্বক দেখায় কালো। এর ফলে ত্বকে বলিরেখা, ব্রণ, সানবার্ণ ও চোখের নিচে কালি পড়তেও দেখা যায়। এভাবে নিয়মিত চলতে থাকলে কিছুদিন পর ত্বক কুচকে একটা বয়স্কভাব চলে আসে। আবার ত্বক ভালোভাবে পরিষ্কার না করে ঘুমালে সকালে উঠে ত্বক কেমন যেন মলিন লাগে। তাই সারাদিনের কাজের পর দরকার ত্বকের যত্ন।

এক্ষেত্রে অবশ্যই রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে নাইট ক্রিম ব্যবহারের বিকল্প নেই। এটি হচ্ছে এমন এক জিনিস যেটি সারারাত ত্বককে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। একইসঙ্গে ত্বকে প্রয়োজনীয় ভিটামিনের জোগান দিয়ে ত্বককে রাখে কোমল ও উজ্জ্বল। আবার সারাদিনের ক্লান্তি দূর করতেও ভূমিকা রাখে নাইট ক্রিম।

বাজারে বিভিন্ন ধরণের নাইট ক্রিম পাওয়া যায়। তবে এসবে কেমিক্যাল সংযুক্ত থাকে, যা স্কিনের জন্য ক্ষতিকর। তাই আপনি ঘরে বসে প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি করে নিতে পারেন নাইট ক্রিম। কিভাবে? আসুন জেনে নেয়া যাক-

উপকরণ:

১। দেড় চামচ অ্যালোভেরা জেল
২। ১চামচ অলিভ অয়েল
৩। ১টা ভিটামিন ই ক্যাপ।

সবগুলো ভালোমতো মিক্সড করলেই ক্রিমের মতো ঘন পেস্ট হয়ে যাবে। এখানে ন্যাচার রিপাবলিকের এ্যালোভেরা টা ইউজ করতে পারেন। যেহেতু ন্যাচার রিপাবলিকের টা একটু বেশি দামি তাই কেও চাইলে পাতাঞ্জলিও ইউজ করতে পারেন। দুইটা একইরকম কাজে দিবে। অবশ্যই প্রতিটা প্রডাক্ট অরিজিনাল কিনা সিউর হয়ে ইউজ করবেন তাহলে ১০০% বেনিফিট পাবেন।

রাতে ঘুমানোর আগে একটু বেশি করে মুখে লাগিয়ে ঘুমাবেন। আর দিনেও হাল্কা করে লাগিয়ে রাখতে পারেন মুখে।