খিচুড়িতে মুসুর ডাল আস্ত রাখার গোপন টিপস

October 19, 2017 4:05 am
খিচুড়িতে মুসুর ডাল আস্ত রাখার গোপন টিপস

খিচুড়িতে মুসুর ডাল আস্ত রাখার গোপন টিপস

খিচুড়িতে মুসুর ডাল আস্ত রাখার গোপন টিপস

ছবি ও লিখাঃ বীথি জগলুল, রন্ধনশিল্পী

খিচুড়িতে মুসুর ডাল দিলে ডাল গলে যায় কেনো কিংবা মুসুর ডাল আস্ত/গোটা থাকেনা কেনো?

**মাত্র কিছুদিন আগেও এমন একটা প্রশ্ন আমার মাথায়ও আসতো। নিজে, নিজে অনেকভাবে ট্রাই করার পরও ডাল কিছুতেই আস্ত রাখতে পারতাম না। গলে ভর্তা হয়ে যেতো। তারপর হঠাৎ করেই একদিন পেয়ে গেলাম এর রহস্যের সমাধাণ! কি সেটা?

চলুন তাহলে, টিপসগুলি জেনে নেয়া যাকঃ

**ধরুন, দুই কাপ চালের খিচুড়ি রান্না করবেন। দুই কাপ চালের জন্যে আপনি এক কাপ অথবা পৌনে এক কাপ মুসুর ডাল নেবেন।

**রান্না চড়ানোর ঠিক ২০-৩০ মিনিট আগে চাল-ডাল একসাথে ধুয়ে পানি ঝরাতে দেবেন। চাল-ডালের পানি না ঝরালে ডাল গলে যাবে।

**যদি আপনার গ্যাস বার্নার একটা হয় তাহলে চালের দ্বিগুণ পানি মানে চার কাপ পানি আগেই ফুটিয়ে নামিয়ে রেখে ঢেকে রাখবেন। আর যদি দুই বার্ণার হয়, তাহলে এক চুলায় খিচুড়ির হাঁড়ি বসিয়ে অন্য চুলায় পানি ফুটতে দেবেন। ঠান্ডা পানি দিলে ডাল গলে যাবে।

**হাঁড়িতে একটু বেশী পরিমাণে তেল নিয়ে হালকা করে পেঁয়াজ ভেজে চাল-ডালের মিশ্রণ খুব ভালোভাবে ভেজে নেবেন। চাল-ডাল ভালোমতো না ভাজলেও ডাল গলে যাবে।

**চাল-ডালের মিশ্রণ ভাজা হলে গরম পানি দিয়ে আঁচ মাঝারি করে দেবেন। এরপর খিচুড়ির জন্যে যা যা মসলা দিতে হয়, তা মিশিয়ে দেবেন। আগেই ঢাকনা দেবেন না। তাহলেও ডাল গলে যাবে। খিচুড়ির পানি চালের সমপরিমাণে আসলে চুলায় একটি তাওয়া দিয়ে হাঁড়িটি তাওয়ার ওপর বসিয়ে কাঁচামরিচ দিয়ে আচ কমিয়ে দমে রাখবেন। ১০-১৫ মিনিট পর একবার উল্টিয়ে-পাল্টিয়ে দিয়ে আবার কিছুক্ষণ দমে রেখে নামিয়ে ফেলবেন।

**বিশ মিনিট পর আপনার খিচুড়ি পরিবেশনের জন্যে রেডি হয়ে যাবে। ঢাকনা খুলে আপনি নিজেই টাসকিতো খেয়ে যাবেন। দেখবেন, ডালগুলি আপনার দিকে তাকিয়ে খিলখিল করে হাসছে!!

রেসিপি ও রান্না-বান্না সংক্রান্ত যাবতীয় টিপস পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। ধন্যবাদ

ফেলনা প্ল্যাস্টিক দিয়ে তৈরি করুন আকর্ষণীয় ৩৮টি জিনিষ

October 14, 2017 5:54 am
ফেলনা প্ল্যাস্টিক দিয়ে তৈরি করুন আকর্ষণীয় ৩৮টি জিনিষ

ফেলনা প্ল্যাস্টিক দিয়ে তৈরি করুন আকর্ষণীয় ৩৮টি জিনিষ

ফেলনা প্ল্যাস্টিক দিয়ে তৈরি করুন আকর্ষণীয় ৩৮টি জিনিষ

বর্তমানে রিসাইকেল বস্তুর রমরমা। ইন্টারনেটে সার্চ দিলেই আপনি পেয়ে যাবেন নতুন নতুন আইডিয়া। কিন্তু আপনি কি চিন্তা করেছেন এর দ্বারা টাকা সেভ করতে পারেন? বোধহয় না। তেমনই কিছু আইডিয়া জেনে নিতে পারেন এই ভিডিও দেখে।

ভিডিও দেখতে নিচের ছবিতে ক্লিক করুন। ⇓

পানীয় কিংবা ওষুধের বোতল তৈরি থেকে শুরু করে অন্যান্য আরও অনেক কাজে পলিইথাইলিন টেরেফথালেট বা পিইটি’র ব্যবহার বেড়েই চলেছে।

এসব বোতল সাধারণত একবার ব্যবহার শেষেই জায়গা করে নেয় ডাস্টবিনে।

এগুলোকে ব্যবহার করতে পারেন ছোট ছোট ইনডোর প্ল্যান্ট লাগাতে।

এছাড়া বানাতে পারেন পেন হোল্ডার অথবা ব্যবহার করতে পারেন গৃহসজ্জার যেকোনো কাজে।

তাহলে দেরি না করে ভিডিওতে দেখে নিন কিভাবে কাজে লাগাবেন ফেলনা  প্ল্যাস্টিক এর বোতল কাজে লাগাবেন।

কমলার খোসার অজানা চমৎকার কিছু ব্যবহার

4:44 am
কমলার খোসার অজানা চমৎকার কিছু ব্যবহার

কমলার খোসার অজানা চমৎকার কিছু ব্যবহার

কমলার খোসার অজানা চমৎকার কিছু ব্যবহার

অন্যান্য অনেক ফলের খোসার চেয়ে কমলার খোসার গুণাগুণ অনেক বেশি। কমলাতে প্রচুর পরিমাণে খনিজ উপাদান বিদ্যমান; যা হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণ এবং স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। এছাড়াও আরো অনেক টুকিটাকি কাজে কমলার খোসা ব্যবহার করা যায়।

চলুন আজ জেনে নিই কমলার খোসার এমন কিছু অজানা ব্যবহার-

১। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে রাখেঃ উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা দূর করার জন্য কমলালেবুর খোসা খুবই উপকারী। এটি রক্ত চলাচলকে নিয়ন্ত্রণ করে ফলে রক্তের চাপ কমাতে সাহায্য করে। চীনা দেশে রক্তচাপ কমানোর জন্য কমলালেবুর খোসা অনেক বেশী ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

২। মুখের দুর্গন্ধ দূর করেঃ মুখে বাজে গন্ধের সমস্যা রয়েছে অনেকেরই। কোন মাউথওয়াসের প্রয়োজন নেই এই দুর্গন্ধ দূর করার জন্য। সামান্য পরিমান কমলালেবুর খোসা চিবিয়ে নিন। দেখবেন আর কোন সমস্যা থাকবে না।

৩। খুশকি দূর করেঃ কমলালেবুর খোসা খুব ছোট কুচি কুচি করে কেটে রাতে পানিতে ভিজিয়ে রেখে দিন। সকালে উঠে এই পানি সম্পুর্ণ মাথার ত্বকে ভালোভাবে লাগিয়ে নিন। ফল মাথার খুশকির সমস্যা দূর হবে এবং চুল মোলায়েম হবে।

৪। ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিঃ কমলার খোসা বাটা ১ টেবিল চামচ, ১/২ টেবিল চামচ হলুদের গুঁড়া, ১/২ টেবিল চামচ মধু এবং ১/২ চা চামচ জায়ফল এর গুঁড়া নিয়ে পেস্ট বানাতে হবে। মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে হালকা গরম পানি দিয়ে হালকা ম্যাসাজ করুন। তারপর উষ্ণ গরম পানিতে মুখ ধুয়ে ফেলুন এবং ময়েশ্চারাইজার লাগান।

৫। এয়ার ফ্রেশনারঃ পানিতে কমলার খোসা, লেবুর রস ও দারুচিনি সিদ্ধ করুন। দেখবেন দারুন সুগন্ধে ঘর ভরে গেছে। এটি একটি স্প্রে বোতলে ভরে এয়ার ফ্রেশনার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।

৬। দাঁতের যত্নেঃ সবচাইতে ভালো ও প্রাকৃতিক উপায়ে দাঁতের হলদে ভাব দূর করার সহজ উপায় হলো কমলার খোসা। কমলার খোসার ভেতরের দিকে শুধু একটু পানি ছিটিয়ে দিয়ে দাঁত ঘষতে থাকুন নিন। নিমিষেই দাঁতের হলদে ভাব দূর হয়ে যাবে। সুত্রঃ বিডি২৪লাইভ

দুধে পানি মিশানো আছে কিনা তা টেষ্ট করার সহজ উপায়

October 12, 2017 3:15 am
দুধে পানি মিশানো আছে কিনা তা টেষ্ট করার সহজ উপায়

দুধে পানি মিশানো আছে কিনা তা টেষ্ট করার সহজ উপায়

দুধে পানি মিশানো আছে কিনা তা টেষ্ট করার সহজ উপায়

দুধ আমরা বাজার থেকেই কিনে পান করি। গুঁড়ো দুধ অনেকেই খান না, লিক্যুইড দুধেই অনেকের ভরসা করে থাকেন। অনেকে আবার গোয়ালাদের সাথে চুক্তি করে দুধ কিনে থাকেন। কিন্তু আপনি কি বুঝতে পারেন বাজার থেকে কেনা লিক্যুইড দুধ এবং গোয়ালার কাছ থেকে নেয়া দুধে পানি মেশানো রয়েছে কিনা?

ভিডিওতে দেখতে নিচের ছবিতে ক্লিক করুন।

অনেকেই বলবেন খালি চোখে বোঝা সম্ভব নয়। কিন্তু দুধে আসলেই পানি মেশানো রয়েছে কিনা তা খালি চোখেই বোঝা সম্ভব। জানতে চান কীভাবে?

চলুন জেনে নেয়া যাক। একটু গাঢ় রঙের মসৃণ একটি সমতল প্লেট বা অন্য কোনো প্ল্যাস্টিকের খণ্ড নিন। এতে কেনা দুধের ফোঁটা ফেলুন। এবার প্লেট বা প্ল্যাস্টিকের খণ্ডটি একটু কাঁত করে নিন।

যদি ফোঁটা ফেলা দুধ দ্রুত গড়াতে শুরু করে এবং পেছনে কোনো দাগ না ফেলেই গড়িয়ে চলে যায় তাহলে বুঝবেন দুধে অনেক পানি মেশানো রয়েছে।

আর যদি ফোঁটা খুব অল্প গড়ায় বা কিছুদূর গড়িয়ে যায় পেছনে দাগ ফেলে তাহলে বুঝবেন দুধে পানির পরিমাণ একেবারে নেই বললেই চলে।

খাঁটি সোনা চেনার সহজ উপায়

October 11, 2017 5:28 am
খাঁটি সোনা চেনার সহজ উপায়

খাঁটি সোনা চেনার সহজ উপায়

খাঁটি সোনা চেনার সহজ উপায়

বিয়েতে, জন্মদিনে কিংবা অন্য কোনো অনুষ্ঠানে নারীর সাজটা স্বর্ণালংকার ছাড়া যেন পূর্ণ হয় না। আবার আমাদের দেশের গ্রামীণসমাজে স্বর্ণকে ফিক্সড ডিপোজিট হিসেবেও মনে করা হয়। ঘরে দুই-চার ভরি স্বর্ণ থাকা মানে আপদকালে বিশেষ সহায়তা। কিন্তু স্যাকরার দোকানে গিয়ে খাঁটি স্বর্ণ চিনতে না পারায় অনেক সময় ঠকতে হচ্ছে। ২২ ক্যারেটের দাম দিয়ে পাচ্ছেন ১০ কিংবা ১৮ ক্যারেট! আসলে সাধারণের পক্ষে খাঁটি স্বর্ণ চেনা কিন্তু সহজ কথা নয়।

কী উপায়ে খাঁটি স্বর্ণ চিনবেন? ভিডিওতে দেখতে নিচের ছবিতে ক্লিক করুন।

সোনা মাপা হয় ক্যারেট দিয়ে। কিন্তু কতটা খাঁটি কতটা খাদ বুঝবেন কী করে? সাধারণত খাঁটি সোনা নরম।এই নরম সোনা দিয়ে গহনা করা যায় না। এতে মেশাতে হয় সিলভার, তামা, দস্তা প্রভৃতি ধাতু। তাই খাঁটি স্বর্ণ কিনতে হলে স্বর্ণের নমনীয়তা খেয়াল করুন।

সাধারণত ২৪ ক্যারট স্বর্ণই হলো খাঁটি।২৪ ক্যারট স্বর্ণ মানে ৯৯.৯ শতাংশ খাঁটি স্বর্ণ। কিন্তু দোকানে সাধারণত, ২২ ক্যারট স্বর্ণ দিয়েই অলঙ্কার তৈরি হয়। আপনি সেদিকটা খতিয়ে দেখে নেবেন, যাতে ২২ ক্যারট স্বর্ণ দেওয়া হয়। ২২ ক্যারট স্বর্ণ মানে ৯১.৬ শতাংশ খাঁটি স্বর্ণ।

ইদানিং বড় বড় স্বর্ণালংকারের দোকানগুলোতে খাদ মাপার মেশিন চলে এসেছে। স্পেকট্রোমিটার নামের ওই মেশিনে মাপার পর স্বর্ণে খাদ থাকলে সহজেই ধরা পড়ে যাবে। মেশিনই বলে দেবে কত ক্যারেটের স্বর্ণ আপনাকে দেওয়া হয়েছে।

BIS চিহ্ন দেখে স্বর্ণ কিনুন। সাধারণত, স্বর্ণ কেনার আগে হলমার্ক দেখেই মানুষ কেনে। খাঁটি স্বর্ণ চেনার এটাই নিয়ম।

এছাড়াও BIS চিহ্ন দেখে স্বর্ণ কিনুন। তাতে আপনি নিশ্চিত থাকবেন যে আপনার স্বর্ণ সত্যিই খাঁটি। ফ্লুরোসেন্স মেশিনে এক্সরে করিয়ে নিতে পারেন। যদিও এই পদ্ধতিতে সোনা যাচাই করাটা একটু কঠিন। কারণ সব জায়গাতে সচরাচর এমন সুযোগ আপনি নাও পেতে পারেন। তবুও চেষ্টা করে দেখতে পারেন।

সোনার গহনা পরিষ্কার করার উপায়

যে জিনিসগুলো মাইক্রোওয়েভ ওভেনে দেওয়া উচিত নয়

August 22, 2017 3:21 am
যে জিনিসগুলো মাইক্রোওয়েভ ওভেনে দেওয়া উচিত নয়

যে জিনিসগুলো মাইক্রোওয়েভ ওভেনে দেওয়া উচিত নয়

যে জিনিসগুলো মাইক্রোওয়েভ ওভেনে দেওয়া উচিত নয়

ব্যস্ত এই নগর জীবনকে সহজ করে তুলতে ইলেকট্রনিক জিনিসপত্রের জুড়ি নেই। রান্নার কাজটি সহজ করার জন্য যেসকল ইলেকট্রনিক জিনিসপত্র ব্যবহার করা হয় তার মধ্যে মাইক্রোওয়েভ অন্যতম। দ্রুত খাবার গরম করার পাশাপাশি কিছু কিছু মাইক্রোওয়েভে খাবার রান্নার করারও অপশন রয়েছে। কেক, ডেজার্ট, চিকেন তন্দুরি মাইক্রোওয়েভে সহজেই রান্না করা যায়। কিন্তু কিছু জিনিস আছে যা মাইক্রোওয়েভে দেওয়া একদম ঠিক নয় । কিন্তু নিজের অজান্তে ভুলবশত এই জিনিসগুলো মাইক্রোওয়েভে দিয়ে থাকি আমরা।

ভিডিওতে দেখতে নিচের ছবিতে ক্লিক করুন। 

১। টক দইয়ের কনটেইনার

ওয়ান টাইম ইউজেবল প্লাষ্টিক কনটেইনার যেমন টক দই, ক্রিম বা অন্য কিছুর কনটেইনার মাইক্রোওয়েভ ওভেনে দেওয়া যাবে না। এগুলো শুধু একবার মাত্র ব্যবহারযোগ্য উপাদান দিয়ে তৈরি করা হয়। যার ফলে এই কনটেইনারগুলো মাইক্রোওয়েভে দেওয়া হলে, এর কেমিক্যাল উপাদানগুলো মাইক্রোওয়েভের তাপে গলে খাবারের সাথে মিশে যায়।

২। কাঁচা ডিম

মাইক্রোওয়েভ ওভেনে ভুলেও ডিম সিদ্ধ করতে যাবেন। এতে করে ডিম ফেটে গিয়ে মাইক্রোওয়েভ ওভেন নষ্ট হতে পারে। এমনকি আপনার আঙ্গুলও পুড়ে যেতে পারে। মাইক্রোওয়েভ ওভেন থেকে তাপ দ্রুত ডিমের মধ্যে অনেক বাষ্প সৃষ্টি করে। আর এই কারণে ডিম ফেটে যায়।

৩। অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল

অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল দিয়ে মোড়ানো যেকোনো খাবারের বক্স বা খাবারের টিন বা কনটেইনার মাইক্রোওয়েভে দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। এতে আগুন লেগে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

৪। প্লাষ্টিক কনটেইনার

এই কাজটি কম বেশি আমরা সবাই করে থাকি। এটিতে মাইক্রোওয়েভ ওভেন বা প্লাষ্টিক কনটেইনারের তেমন ক্ষতি না হলেও আপনার খাবারের মান কমে যায় অনেকখানি। প্লাস্টিক কনটেইনার যেসকল উপাদান দিয়ে তৈরি হয় তার মধ্যে বিপিএ অন্যতম। খাবার যখন প্লাষ্টিক কনটেইনারে গরম করতে দেওয়া হয় তখন এর রাসায়ানিক উপাদানগুলো তাপে গলে খাবারের সাথে মিশে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

৫। চায়না বা ডিজাইন সিরামিক প্লেট

ইউএসডির মতে মেটালিক ডিজাইন করা সিরামিক প্লেট বা চায়না প্লেট মাইকোওয়েভ ওভেনে দেবেন না। মাইক্রোওয়েভের তাপ মেটালিক ডিজাইনের সাথে প্রতিক্রিয়া তৈরি করে মাইক্রোওয়েভ ওভেনের ক্ষতি করে থাকতে পারে।

৬। আঙ্গুর এবং কিশমিশ

আঙ্গুর এবং কিশমিশ একসাথে মাইক্রোওয়েভ ওভেনে দেবেন না। তারা একসাথে প্লাজমা উৎপাদন করে থাকে। কিশমিশ থেকে ধোঁয়া উৎপাদন করে এমনকি মাইক্রোওয়েভ ওভেনে আগুনও ধরে যেতে পারে।

৭। লাল শুকনা মরিচ

আপনি কি শুকনা লাল মরিচ মাইক্রোওয়েভ ওভেনে গরম করার কথা ভাবছেন? ভুলেও এই কাজটি করবেন না। শুকনা মরিচের কারণে আগুন ধরে যেতে পারে আপনার মাইক্রোওয়েভ ওভেনে।