Archive for January, 2018

জেনে নিন ২০১৮ সালের কোন মাস আপনার জন্য সেরা

January 29, 2018 5:45 am
জেনে নিন ২০১৮ সালের কোন মাস আপনার জন্য সেরা

জেনে নিন ২০১৮ সালের কোন মাস আপনার জন্য সেরা

রাশি অনুযায়ী জেনে নিন ২০১৮ সালের কোন মাস আপনার জন্য সেরা

২০১৮-তে আগামী দিনে আমাদের ভাগ্যে কী ভাবে প্রতিফলিত হবে তা এই বছরেই অনেকটা বোঝা যাবে। জেনে নিন বিভিন্ন রাশির জাতক-জাতিকাদের চলতি বছরে শুভ মাস কোনটি।

মেষ:
চলতি বছরে মেষ রাশির জাতকদের উত্‍ফুল্ল হওয়ার মতো অনেক কারণ রয়েছে। ২০১৮-য় তাদের সামনে অনেক নতুন সুযোগ খুলে যাবে। গোটা বছরটাই প্রায় মেষ রাশির জন্য ভালো কাটবে। জানুয়ারিতে অফুরন্ত প্রাণশক্তিতে ভরপুর থাকবে তারা। সৌভাগ্যে পূর্ণ থাকবে এপ্রিল মাসও। বছরের শেষটাও ভালোই কাটবে মেষ রাশির।

বৃষ:

বছরের শুরুটা খুব একটা ভালো না কাটলেও মার্চ মাস থেকে পরিস্থিতির বদল ঘটবে। ২০১৮-য় বৃষ রাশির জন্য সবথেকে ভালো কাটবে জুন মাস। আত্মবিশ্বাস বাড়বে, বাড়বে কর্মক্ষমতা। নিজেকে নতুন করে খুঁজে পাবেন এই মাসেই।

মিথুন:
তাকিয়ে থাকুন এপ্রিল মাসের দিকে। পজিটিভ এনার্জিতে এই সময় কানায় কানায় ভরে উঠবেন আপনি। সুখ ও নানারকম সুযোগ আসবে আপনার সামনে। পৌঁছে যেতে পারেন আপনার স্বপ্নের গন্তব্যেও।

কর্কট:
ফেব্রুয়ারি ও জুন মাসের গ্রহ-নক্ষত্রের অবস্থান কর্কট রাশির জন্য আদর্শ। নতুন কাজ করার সাহস পাবেন এই সময়ই। পজিটিভ চিন্তাভাবনা প্রসারিত হবে আপনার মধ্যে। প্রেমের জীবনও ভালো কাটবে।

সিংহ:
আপনি কি সিংহ রাশির জাতক? তাহলে আপনার জীবনে নয়া দিশা দেখাবে জুলাই ও আগস্ট মাস। একের পর সুংসবাদ পাবেন এই সময়। নতুন কিছু করার ইচ্ছে অনেকদিন ধরে থাকলে এই সময় লেগে পড়ুন।

কন্যা:
২০১৮-র সেপ্টেম্বর মাস আপনার জন্য অত্যন্ত শুভ। এই সময় যাতে হাত দেবে, তাতেই সফল্য অপধারিত। অনেক সুযোগ আসবে এই সময়। তা হাতছাড়া করবেন না। যা যা সমস্যা আপনার জীবনে রয়েছে, তার বেশিরভাগেরই এই সময় সমাধান মিলতে পারে।

তুলা:
জীবনে কোনও বিষয়ে ঝুঁকি নিতে চান? ফেব্রুয়ারি মাস আপনার জন্য আদর্শ। পাশাপাশি প্রেমের ক্ষেত্রেও এই সময়টা দারুন কাটবে। ২০১৮-র ফেব্রুয়ারি বড় কোনও সাফল্য অর্জন করতে চলেছেন তুলা রাশির জাতকরা।

বৃশ্চিক:
এ বছর বড় কোনও কাজে হাত দিতে হলে অপেক্ষা করুন মে মাসের জন্য। এনার্জি, মোটিভেশন সবই বাড়বে এই সময়। পেতে পারেন অনেক শুভ সংবাদ।

ধনু:
নভেম্বর মাসে নিজেকে নতুন করে চিনবেন আপনি। কর্মক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য মিলতে পারে। নতুন করে প্রেমে পড়তে পারেন।

মকর:
মার্চ মাসে আপনার জন্য অনেক ভালো কিছু অপেক্ষা করছে। পরিবারের সঙ্গে সম্পর্কের বন্ধন নতুন করে দৃঢ় হবে। আর্থিক উন্নতিও হবে অনেকটা।

কুম্ভ:
জুলাই মাস সাফল্যে ভরিয়ে দেবে আপনাকে। কাজ করার শক্তিও বাড়বে অনেকটা। এনার্জি বাড়ায় সাফল্যও বাড়বে।

মীন:
আপনাকে নতুন করে নিজেকে চিনতে সাহায্য করবে ফেব্রুয়ারি মাস। বাড়বে আত্মবিশ্বাস। তার প্রতিফলন ঘটবে সাফল্যের ক্ষেত্রেও।

ডায়বেটিস রোগীদের জন্য ডায়েট প্ল্যান

5:25 am
ডায়বেটিস রোগীদের জন্য ডায়েট প্ল্যান

ডায়বেটিস রোগীদের জন্য ডায়েট প্ল্যান

ডায়বেটিস রোগীদের জন্য ডায়েট প্ল্যান

পরিবেশ, খাবারে ভেজাল, বিভিন্ন রকম শারীরিক অসুবিধার কারণে ডায়বেটিক এখন আর শুধু বয়স্কদের অসুখ নয়। সদ্যজাত শিশু থেকে শুরু করে, তরুণ, বৃদ্ধ সবারই ডায়বেটিস হতে পারে। ডায়বেটিস এ খাবার, বিশ্রাম, ব্যায়াম এর ক্ষেত্রে নিয়ম মেনে চলতে হয়। না হলে অসুস্থতা জেঁকে বসতে পারে। সম্পূর্ণ ওষুধ নির্ভর হয়ে বেঁচে থাকার চাইতে কিছু নিয়ম মেনে সুস্থ থাকাই বুদ্ধিমানের কাজ। ডায়বেটিস এ সঠিক ডায়েট চার্ট মেনে চলতে হয়। একেবারে অনেক কিছু না খেয়ে বারে বারে অল্প পরিমাণে খাওয়া উচিত। অনেকেই এই সঠিক ডায়েট এর নিয়মটা জানেন না। বুঝতে পারেন না কখন কী খাওয়া উচিত, কী উচিত না। তাই তাদের সুবিধার্থে আজকে ডায়েট চার্টটি সাজানো হয়েছে।

সকালের নাস্তায় যা যা খেতে পারেন

ফল

সকালের নাস্তায় ফল থাকাটা খুব জরুরী। ফল শরীর ও মন দুটোকেই সতেজ রাখে এবং শরীরে ক্যালরির অভাব পূরণ করে কোন ক্ষতি ছাড়াই। কলা, আপেল, কমলা, মাল্টা, স্ট্রবেরি এসব ফল স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারি।

টকদই

নাস্তায় টকদই অথবা চিনি ছাড়া ফ্যাট ফ্রি ঘরে পাতা দই যোগ করতে পারেন। এটি হজমশক্তি বৃদ্ধি করে এবং শরীরে ক্যালসিয়াম এর অভাব পূরণ করে।

ডিম এবং ইংলিশ মাফিন

টমেটো, পেঁয়াজ দিয়ে একটি ডিম অলিভ অয়েল এ ভেজে নিন। সাথে নিতে পারেন ফ্যাট ফ্রি চিজ এবং সুগার ফ্রি ব্রেড অথবা ইংলিশ মাফিন।

মিক্সড ব্রেকফাস্ট

ফ্যাট ফ্রি টক দই, মিক্সড ড্রাই ফ্রুটস, বাদাম, ওয়াল নাটস, কর্ণফ্লেক্স মিক্সড করে খেয়ে নিতে পারে। এটা পুষ্টিকর এবং উপকারী।

ওটসমিল

রান্না করা ওটসমিল, বাদাম, সিনামন আর মিষ্টির জন্য চিনির বদলে অন্য কিছু মিলিয়ে মিক্সচার তৈরি করে নিন। এরপর লো ফ্যাট দুধের সাথে এটি খেয়ে নিতে পারেন।

কর্ণফ্লেক্স এবং ক্রিম চিজ

খুব তাড়াহুড়ো থাকলে কর্ণফ্লেক্স এর সাথে লাইট ক্রিম চিজ মিলিয়ে দুধের সাথে খেয়ে নিতে পারেন। চটপট নাস্তাও হয়ে যাবে সাথে ডায়বেটিস ও নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

দুপুরের খাবারে যা যা খেতে পারেন

সালাদ

বিভিন্ন ধরণের সবজি যেমন শসা, টমেটো, লেটুস পাতা, পার্সলে পাতা, গাজর সবমিলিয়ে একটি সালাদ অবশ্যই প্রতিদিনের খাবার তালিকায় রাখতে হবে।

মাছ বা মাংস

এক টুকরো মাছ অথবা মাংস খাবার তালিকায় রাখবেন। কিন্তু রেড মিট এভোয়েড করতে হবে। মুরগির এক বা দুই পিস এবং যেকোন মাছ থাকতে পারে। যথাসম্ভব ভাত এভোয়েড করা উচিত। আর খেলেও মেপে এক কাপ এর বেশি না।

ফল

হালকা কিছু ফল খাবার পর খেতে পারেন। এতে শরীর সতেজ থাকবে।

শাক-সবজি ও ডাল

খাবার তালিকায় বিভিন্ন রকমের ডাল এবং সবজি রাখতে হবে। তবে খুব বেশি ঝাল মশলা দিয়ে না। দুপুরের খাবারে লাল শাক, পালং শাক,পুঁই শাক ইত্যাদি নানা ধরণের শাক থাকতে পারে।

বিকেলের নাস্তায় যা যা খেতে পারেন

ডায়বেটিস রোগীদের কিছুক্ষণ পর পরই হালকা কিছু নাস্তা করা উচিত। যেমন, চিনি ছাড়া বিস্কিট, ব্রেড,মুড়ি ইত্যাদি। বিকেলের নাস্তায় তাই হালকা কিছু খাবার রাখা যেতে পারে।

চা

গ্রিন টি অথবা মশলা চা চিনি ছাড়া খেতে পারেন। সাথে বিস্কিট, মুড়ি বা টোস্ট।

হালুয়া

ক্যাল ফ্রি দিয়ে গাজর বা সুজির হালুয়া খেতে পারেন। বুটের হালুয়াও বেশ স্বাস্থ্যকর।

শরবত

বাজারের আরটিফিশিয়াল শরবত না কিনে ঘরে বিভিন্ন ফলের শরবত চিনি ছাড়া বানিয়ে নিন।

রাতের খাবারে যা যা খেতে পারেন

চালের অথবা আটার রুটি

রাতে ভাত খাওয়াটা ডায়বেটিক রোগীদের জন্য একেবারেই উচিত না। তাই চাল, গম অথবা আটার পাতলা ২টি থেকে ৩টি রুটিই রাতের জন্য উত্তম।

সবজি

রাতে রুটির সাথে হালকা সবজী খাওয়া যেতে পারে। এসিডিটির সমস্যা হলে ফল খাওয়ার দরকার নেই।

মাছ

রাতে মাংস না খাওয়াই ভালো। এক পিস মাছ খাওয়া যেতে পারে।

নিয়মিত স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার পাশাপাশি প্রচুর পানি পান করতে হবে, প্রতিদিন হাঁটতে যেতে হবে। কিছু হালকা ব্যায়াম মন ও শরীর প্রফুল্ল রাখবে।ওষুধ নিয়মিত খেতে হবে এবং ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চলতে হবে। পরিমিত ঘুম এবং পরিশ্রম আপনাকে ডায়বেটিস এর অনেক অসুবিধা থেকে দূরে রাখবে।

লিখেছেন – মোহসেনা দেওয়ান পৃথীল, সাজগোজ

টুনা মাছ ভুনা রেসিপি

5:15 am
টুনা মাছ ভুনা রেসিপি

টুনা মাছ ভুনা রেসিপি

টুনা মাছ ভুনা রেসিপি

স্বাস্থ্য সচেতনদের খাবার মেনুতে মাছের কদর তিনবেলা। আর সেটা যদি হয় সামুদ্রিক মাছ, তাহলে তো কোনো কথাই নেই। টুনা মাছে রয়েছে খাদ্য উপাদনের বেশ কয়টি প্রয়োজনীয় উপাদান। যা আমাদের শরীরের জন্য খুবই দরকারি। টুনা মাছের উপকারিতা বলে শেষ করা যাবে নাহ কখনই।

রেসিপি ও ছবিঃ আফরিন আহমেদ

উপকরণ :

  • ২ ক্যান টুনা ,
  • পেঁয়াজ কুচি ,
  • আদা ও রসুন বাটা ,
  • গ্রীন পীস ,
  • টমেটো কুচি ,
  • হলুদ,মরিচ,ধনিয়া ও জিরা গুঁড়া ,
  • কাঁচা মরিচ ,
  • লেবুর রস ,
  • ধনিয়াপাতা ,
  • লবন ,
  • তেল .

প্রণালী :

*একটা প্যান এ তেল দিয়ে পেঁয়াজ ব্রাউন করে ভেজে নিন & তাতে আদা ও রসুন বাটা দিয়ে নাড়ুন।

*এরপর একে একে সব মসলা শুধু টমেটো আর গ্রীন পীস বাদে সব দিয়ে কষিয়ে নিন ..কষানো হলে তাতে টুনা ফিশ দিয়ে ভালোভাবে কষাতে হবে যেন পানি শুকিয়ে আসে।

*এবার কষানো হলে টমেটো ও গ্রীন পীস দিয়ে আরেকটু কষিয়ে নিয়ে পানি দিয়ে ঢেকে দিন।

*নামানোর আগে কাঁচামরিচ ,ধনিয়াপাতা ও লেবুর রস দিয়ে আরো কয় মিনিট রেখে চুলা অফ করে দিন।

*ব্যাস হয়ে গেলো মজাদার টুনা ফিশ ভুনা।

*টিপস :

যারা ফিশ খেতে চায়না গন্ধ বা কাটা বেছে খেতে ঝামেলা। তাদের জন্য & বাচ্চাদের জন্য একটি পারফেক্ট রেসিপি।

সকালে মাত্র ১ চামচ সেবনে দ্রুত ওজন কমাবে জাদুকরী ড্রিংক্স

5:09 am
সকালে মাত্র ১ চামচ সেবনে দ্রুত ওজন কমাবে জাদুকরী ড্রিংক্স

সকালে মাত্র ১ চামচ সেবনে দ্রুত ওজন কমাবে জাদুকরী ড্রিংক্স

সকালে মাত্র ১ চামচ সেবনে দ্রুত ওজন কমাবে জাদুকরী ড্রিংক্স

সকালে ঘুম থেকে উঠে ধোঁয়া উঠা এক কাপ কফি পান অনেকেরই অভ্যাস। ক্লান্তি দূর করে সারাদিনের শক্তি যোগানোর পাশাপাশি কফির আছে অনেক স্বাস্থ্যগত উপকার। টাইপ ২ ডায়াবেটিস, লিভার ক্যান্সার, লিভার সংক্রান্ত যেকোন রোগসহ আরও অনেক রোগ প্রতিরোধ করতে কফি বেশ কার্যকরী। আচ্ছা এই কফি যদি আপনার ওজন হ্রাস করতে সাহায্য করে তবে কেমন হয়? নারকেল তেল, মধু এবং দারুচিনি এই তিনটি উপাদান শরীরে মেদ কাটাতে সাহায্য করে থাকে। এই তিনটি উপাদান দিয়ে তৈরি করে নিতে পারেন একটি মিশ্রণ, যা আপনার ওজন কমাতে সাহায্য করবে। এক চামচ করে প্রতিদিনের কফির সাথে মিশিয়ে পান করুন এই মিশ্রণটি। আর দেখুন এর ম্যাজিক্যাল প্রভাব।

ভিডিওতে দেখতে নিচের ছবিতে ক্লিক করুন ⇓

উপকরণ:

৩/৪ কাপ নারকেল তেল
১/২ কাপ মধু
১ চা চামচ দারুচিনি
১ চা চামচ কোকো পাউডার (ইচ্ছা)

যেভাবে তৈরি করবেন:

১। নারকেল তেল, মধু, দারুচিনি এবং কোকো ভাল করে মিশিয়ে নিন।

২। ঘন হয়ে এলে এটি একটি পাত্রে সংরক্ষণ করুন।

যেভাবে ব্যবহার করবেন:

গরম কফির সাথে ১-২ চাচামচ মিশ্রণটি মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি খুব ভাল করে নেড়ে কফির সাথে মিশিয়ে নিন।

যেভাবে কাজ করে:

কফিতে ক্যাফিন নামক উপাদান আছে যা মেটাবলিজমের উপর প্রভাব ফেলে থাকে। এর সাথে শরীরে এনার্জি বৃদ্ধি করে থাকে। স্বাস্থ্যকর উপাদান গুলোর মধ্যে নারকেল তেল অন্যতম। এর ট্রাইগ্লিসারাইড শরীরে জন্য খুব ভাল চর্বি উৎপাদন করে থাকে। দারুচিনি দেহের বাড়তি চর্বি কাটতে সাহায্য করে থাকে।

প্রতিদিন সকালে কফির সাথে মিশিয়ে পান করুন। এটি সারাদিনের কাজের এনার্জি দেওয়ার সাথে সাথে আপনার ওজন কমিয়ে দিবে অনেকখানি।

আই ক্রিম ব্যবহারের ভুলগুলো যা আপনি করছেন

4:49 am
আই ক্রিম ব্যবহারের ভুলগুলো যা আপনি করছেন

আই ক্রিম ব্যবহারের ভুলগুলো যা আপনি করছেন

আই ক্রিম ব্যবহারের ভুলগুলো যা আপনি করছেন

“সঠিক উপায়ে আই ক্রিম ব্যবহার করা হলে বয়সের ছাপ, ফোলাভাব, বলিরেখা ইত্যাদি নানাসমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তবে কিছু সাধারণ ভুলের কারণে উপকারের তুলনায় ক্ষতিই হতে পারে।”

দেখে নিন আই ক্রিম ব্যবহারের ভুলগুলো যা আপনি করছেন-

বেশি পরিমাণে ক্রিম ব্যবহার করা

প্রয়োজনের তুলনায় বেশি আই ক্রিম ব্যবহারের ফলে চোখে অস্বস্থি অনুভূত হতে পারে। এমনকি চোখ ফুলেও যেতে পারে। তাই সবসময় অল্প পরিমাণে আইক্রিম ব্যবহার করা উচিত। এক ফোঁটা পরিমাণ আই ক্রিমই যথেষ্ঠ।

যদি প্রথমবার ব্যবহারের পরও ত্বক শুষ্ক মনে হয় এবং আবারও ব্যবহার করার প্রয়োজন পরে তবে প্রথমবার ব্যবহারের পর পাঁচ মিনিট অপেক্ষা করে আবার ক্রিম লাগাতে হবে।

ঘষাঘষি করা

চোখের চারপাশের ত্বক খুবই সংবেদনশীল ও কোমল হয়। তাই এই ত্বকে অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগ করা এবং ঘষাঘষি করা বেশ ক্ষতিকর।

পরিমাণ মতো ক্রিম নিয়ে আঙুলে খানিকটা মিশিয়ে নিয়ে, হালকাভাবে চোখের নিচে এবং চারপাশে ক্রিম লাগাতে হবে।

সরাসরি চোখের নিচে ও উপরের পাতায় ক্রিম লাগানো

চোখের নিচে এবং উপরের পাতায় ক্রিম সরাসরি লাগালে চোখ ফুলে যেতে পারে। তাই চোখের খানিকটা নিচে এবং ভ্রুয়ের অংশে ক্রিম লাগাতে হবে। এই অংশে ক্রিম লাগালেই তা চোখের চারপাশে ছড়িয়ে যাবে।

চিকেন ভেজিটেবলস ওটস স্যুপ

January 28, 2018 7:11 am
চিকেন ভেজিটেবলস ওটস স্যুপ

চিকেন ভেজিটেবলস ওটস স্যুপ

চিকেন ভেজিটেবলস ওটস স্যুপ

রেসিপি ও ছবিঃ হেলেনা পারভিন

উপকরণঃ

*১কাপ মুরগীর বুকের মাংস একটু লম্বা পাতলা করে কাটা।
*২টেবিল চামচ তেল।
*১কাপ ওটস্।
*১টেবিল চামচ রসুন কুচি।
*১চা চামচ লেমন গ্রাস কুচি।

আরো লাগবেঃ

*১কাপ সবজি (আমি নিয়েছি গাজর কুচি, মটরশুটি & মাশরুম)।
*১টি ম্যাগী চিনেক স্টক কিউব।
*১/২চা চামচ গোলমরিচ গুঁড়া।
*১টেবিল চামচ লেবুর রস।
*লবণ (স্বাদ মতো)
*৫-৬কাপ গরম পানি।

পদ্ধতিঃ

*প্রথমে একটি বোল এ ওটস পানি দিয়ে ৫মিনিট ভিজিয়ে রেখে ছেঁকে নিতে হবে।

*এবার একটি প্যান এ তেল গরম করে রসুন কুচি দিয়ে হালকা ভেজে চিকেন ও সবজিগুলো দিয়ে ভেজে এতে চিকেন স্টক কিউব, গোলমরিচ গুঁড়া এবং লেমন গ্রাস কুচি দিয়ে পানি ও লবণ দিয়ে দিতে হবে, পানিতে বলক আসলে, সবজিগুলো সিদ্ধ হয়ে গেলে ওটস দিয়ে, লেবুর রস দিয়ে ২-১মিনিট জ্বাল দিয়ে লবণ চেক করে নামিয়ে ফেলতে হবে।
*গরম গরম পরিবেশন করুন মজাদার এই হেলদি চিকেন ভেজিটেবলস স্যুপ ।

নোটসঃ

*আপনারা আপনাদের পছন্দ মতো যেকোনো সবজি নিতে পারেন।
*ঝাল পছন্দ করলে কাঁচামরিচ কুচি দিতে পারেন।
* চিকেন স্টক কিউব না থাকলে বাসায় চিকেন স্টক তৈরী করে নিতে পারেন।

**ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন এবং নিরাপদে থাকুন সবাই ।

মটরশুঁটি ভর্তা তৈরির সহজ রেসিপি

January 26, 2018 4:46 pm
মটরশুঁটি ভর্তা তৈরির সহজ রেসিপি

মটরশুঁটি ভর্তা তৈরির সহজ রেসিপি

মটরশুঁটি ভর্তা তৈরির সহজ রেসিপি

কতকিছুই ভর্তা করে খেয়েছেন বা খাচ্ছেন এবার আপনার অতিপরিচিত এই খাদ্য উপাদানটির ভর্তা বানিয়ে খেয়ে দেখুন। একদম নিশ্চিন্তে বলা যায় আপনার মুখের স্বাদ বদল হওয়ার সাথে সাথে এটি আপনাকে একটি নতুন খাবার খাওয়ার সম্পূর্ণ আনন্দ প্রদান করতে সক্ষম হবে।

আসুন দেখে নেই কি উপায়ে আপনি চটজলদি বানিয়ে ফেলবেন সুস্বাদু মটরশুঁটির ভর্তা।

উপকরনঃ

  • এক থেকে দেড় মুঠো মটরশুঁটি
  • মাঝারি সাইজের একটা পেঁয়াজ কুঁচি করে কাটা
  • তিনটে কাঁচা মরিচ (আপনারা চাইলে ঝাল বেশি দিতে পারেন)
  • এক চামচ সরিষার তেল
  • দুই চা চামচ কাঁচা ধনিয়া পাতার কুঁচি (অনুমান মতো)
  • সামান্য লবণ

প্রস্তুত প্রণালী:

একটি কড়াইতে এক থেকে দেড় মুঠো মটরশুঁটি নিন। মাঝারি সাইজের একটা পেঁয়াজ কুঁচি, তিনটে কাঁচা মরিচ (আপনারা চাইলে ঝাল বেশি দিতে পারেন), সামান্য লবন এবং সামান্য পানি দিয়ে মিশিয়ে নিন।

এবার মাধ্যম আঁচে চুলার আগুন জ্বেলে দিন। এক চামচ সরিষার তেল দিতে পারেন, সরিষার তেল না থাকলে সয়াবিন তেল হলেও চলবে।

মাঝে মাঝে উলটে দেখুন এবং খুন্তি দিয়ে নাড়িয়ে দিতে ভুলবেন না।

পানি কমে শেষ হয়ে যাবে এবং মটরশুঁটি নরম/সিদ্ধ হয়ে যাবে।

এবার দুই চা চামচ কাঁচা (অনুমান) ধনিয়া পাতার কুঁচি দিন। কুঁচি দিয়ে মিনিট খানেকের মাথায় নাড়িয়ে নামিয়ে ফেলুন।এবার পাটায় পিষে ফেলুন।

বেশি মিহী করার দরকার নেই। ভাল করে মিশিয়ে স্বাদ চেখে দেখুন, লবণ লাগলে লবণ দিন।ব্যস, পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত। মটরশুঁটির একটা আলাদা ঘ্রাণ আছে, সেই ঘ্রাণে ভর্তার মজাই অন্যরকম।

নিজে খেয়ে দেখুন সাথে অন্যদেরও স্বাদ নিতে দিন। আপনার এই ব্যতিক্রমধর্মী ভর্তার স্বাদের গুণগানে সবাই মঙ্খর হয়ে যাবে।

পায়ের গোড়ালি ফাটা দূর করবেন যেভাবে

5:56 am
পায়ের গোড়ালি ফাটা দূর করবেন যেভাবে

পায়ের গোড়ালি ফাটা দূর করবেন যেভাবে

পায়ের গোড়ালি ফাটা দূর করবেন যেভাবে

শীতকালে একটি অন্যতম সমস্যা হচ্ছে পায়ের গোড়ালি ফেটে যাওয়া। পা ফাটা নিয়ে পড়তে হয় মহা বিব্রতকর পরিস্থিতে। নারী-পুরুষ উভয়েই এই সমস্যায় ভুগেন। অনেকেই অনেক ধরনের ক্রিম ব্যবহার করে থাকেন এই পা ফাটা নিরাময় করতে। কিন্তু কেমিক্যাল সমৃদ্ধ ক্রিমে প্রাথমিক ভাবে কিছুটা ঠিক হলেও পরবর্তীতে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সহ সমস্যা শুরু হয় আবার। তাই আজকে আপনাদের জন্য রইল ঘরোয়া পদ্ধতিতে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে পা ফাটা রোধের কিছু উপায়।

পায়ের গোড়ালি ফাটা দূর করা ভিডিওতে দেখতে নিচের ছবিতে ক্লিক করুন। 

অয়েল ম্যাসাজ :

প্রথমে পা পরিষ্কার করে ধুয়ে শুকিয়ে নিতে হবে। তারপর গোড়ালির ফেটে যাওয়া জায়গায় অলিভ অয়েল/নারিকেল তেল লাগিয়ে একজোড়া মোটা মোজা পরে সারারাত রেখে দিতে হবে। সকালবেলা কুসুম গরম পানি দিয়ে পা ধুয়ে নিলেই গোড়ালির ফাটল কমে আসবে। গোসলের পর এ ম্যাসাজ অনেক কার্যকরী।

ভ্যাসলিন ও লেবুর রসের প্যাক :

গোড়ালি পরিষ্কার করে ধুয়ে শুকিয়ে নিয়ে হালকা গরম পানিতে ১৫ মিনিট পা ভিজিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলতে হবে। তারপর ১ টেবিল-চামচ ভ্যাসলিন ও ১ টেবিল-চামচ লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে নিয়ে এই মিশ্রন শুকনো পা ও গোড়ালির ফেটে যাওয়া স্থানে ত্বক শুষে না নেওয়া পর্যন্ত ঘষতে হবে।

তিলের তেল ও গ্লিসারিন:

প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে তিলের তেল ও গ্লিসারিন দিয়ে পায়ের গোড়ালি মালিশ করলে ভালো উপকার পাওয়া যায়।

ফ্রাইপ্যানে খোলা জালি পিঠা

5:26 am
ফ্রাইপ্যানে খোলা জালি পিঠা

ফ্রাইপ্যানে খোলা জালি পিঠা

ফ্রাইপ্যানে খোলা জালি পিঠা

রেসিপি ও ছবিঃ নাদিয়া আফরিন ও হেলেনা পারভিন

উপকরণঃ

  • ২কাপ চালের গুঁড়া।
  • ২টা ডিম।
  • লবণ (স্বাদ মতো)।
  • কুসুম গরম পানি (পরিমাণ মতো) (আমার সাড়ে তিন কাপ পানি লেগেছে)।

পদ্ধতিঃ

*একটি বোল এ সবগুলো উপকরণ নিয়ে একটি পাতলা ব্যাটার তৈরী করে নিতে হবে।

*এবার একটি ফ্রাইপেন গরম করে (কোন তেল ব্রাশ করা যাবে না, তেল ব্রাশ করলে এমন ছিদ্র ছিদ্র হবে না, তখন ক্রেপ এর মতো প্লেন হয়ে যাবে) একটু করে ব্যাটার পেন এ দিয়ে ঘুরিয়ে নিয়ে ঢেকে দিতে হবে, চুলার আঁচ মাঝারি থাকবে, ২-১মিনিট পর পিঠা হয়ে আসলে নিজ থেকে সাইড দিয়ে আস্তে করে উঠে আসে, তখন নামিয়ে ফেলতে হবে। এভাবে একটি একটি করে সবগুলো পিঠা বানাতে হবে।

*ব্যাস হয়ে গেল আমাদের খুবই সহজ এবং মজাদার #খোলা_জালি_পিঠা।

*এই পিঠা যে কোন মাংস, ভর্তা অথবা নারকেল, খেজুরের গুড় দিয়ে পরিবেশন করতে পারেন।

নোটসঃ

*ব্যাটার যত পাতলা হবে পিঠাতে তত বেশি ছিদ্র ছিদ্র হবে।
*ব্যাটার টা গুলানোর পর যদিও একটিও হুইক্স দিয়ে ভালো করে বিট করে নেওয়া হয় অথবা একটু ব্লেন্ড করে নেয়া হয় তাহলে ব্যাটার টা অনেক বেশি স্মুথ হয়।

ছারপোকা তাড়ানোর খুব সহজ ৭টি ঘরোয়া উপায় জানুন

5:19 am
ছারপোকা তাড়ানোর খুব সহজ ৭টি ঘরোয়া উপায় জানুন

ছারপোকা তাড়ানোর খুব সহজ ৭টি ঘরোয়া উপায় জানুন

ছারপোকা তাড়ানোর খুব সহজ ৭টি ঘরোয়া উপায় জানুন

ছারপোকা অথবা ছার পোকা (ইংরেজি: Bed bug) সিমিসিডে গোত্রের একটি ছোট্ট পরজীবী পতঙ্গবিশেষ। এটি মানুষ ও উষ্ণ রক্তবিশিষ্ট অন্যান্য পোষকের রক্ত খেয়ে বেঁচে থাকে।মূলতঃ এ পোকাটি বিছানা, মশারী, বালিশের এক প্রান্তে বাসা বাঁধলেও ট্রেন কিংবা বাসের আসনেও এদের দেখা মেলে। বিছানার পোকা হলেও এর অন্যতম পছন্দের আবাসস্থল হচ্ছে – ম্যাট্রেস, সোফা এবং অন্যান্য আসবাবপত্র। পুরোপুরি নিশাচর না হলেও ছারপোকা সাধারণত রাতেই অধিক সক্রিয় থাকে এবং মানুষের অগোচরে রক্ত চোষে নেয়। মশার ন্যায ছোট্ট কামড় বসিয়ে এরা স্থান ত্যাগ করে।

ছারপোকা খুবই যন্ত্রদায়ক একটি ছোট্ট পতঙ্গ। এ পোকাটি বিছানা, মশারি, বালিশের এক প্রান্তে বাসা বাঁধলেও ট্রেন, বাসের আসন ও বিশেষ করে আবাসিক হোটেল গুলোতে এদের দেখা মেলে। বিছানার পোকা হলেও এর অন্যতম পছন্দের আবাসস্থল হচ্ছে- ম্যাট্রেস, সোফা এবং অন্যান্য আসাবাবপত্র। ছারপোকা মানুষের অগোচরে রক্ত চুষে নেয়। ঘরে ছারপোকার আক্রমণ ঘটলে অশান্তির শেষ থাকে না।

চলুন এক নজরে দেখে নেই এই জ্বালাতনকারী ছারপোকাটিকে কিভাবে সহজেই ঘর থেকে তাড়ানো যায় –
১. বিছানাসহ অন্যান্য জায়গা থেকে ছারপোকা তাড়াতে সারা ঘরে ভালো করে ভ্যাকুয়াম করুন। ভ্যাকুয়াম করার সময় খেয়াল রাখুন যাতে ঘরের মেঝেও বাদ না পড়ে। এতে করে আপনার ঘরে ছারপোকার আক্রমণ অনেকটাই কমে যাবে।

২. ছারপোকা মোটামুটি ১১৩ ডিগ্রি তাপমাত্রাতে মারা যায়। ঘরে ছারপোকার আধিক্য বেশী হলে বিছানার চাদর, বালিশের কভার, কাঁথা ও ঘরের ছারপোকা Bedbug আক্রান্ত জায়গাগুলোর কাপড় বেশী তাপে সিদ্ধ করে ধুয়ে ফেলুন। ছারপোকা এতে মারা যাবে।

৩. ঘরের যে স্থানে ছারপোকার বাস সেখানে ল্যাভেন্ডার অয়েল স্প্রে করুন। দুই থেকে তিনদিন এভাবে স্প্রে করার ফলে ছারপোকা আপনার ঘর ছেড়ে পালাবে।

৪. এক লিটার পানিতে ডিটারজেন্ট যেমন সার্ফ এক্সেল ঘন করে মিশিয়ে স্প্রে করুন। এ উপায়ে স্প্রে করার ফলে ছারপোকা সহজেই মারা যাবে।

৫. আসবাবাপত্র ও লেপ তোশক পরিষ্কার রাখার সাথে সাথে নিয়মিত রোদে দিন। এতে করে ছারপোকার আক্রমণ কমে যাওয়ার সাথে সাথেই ছারপোকা থাকলে সেগুলো মারা যাবে।

৬. আপনার ঘরের ছারপোকা তাড়াতে অ্যালকোহল ব্যবহার করতে পারেন। ছারপোকা প্রবণ জায়গায় সামান্য অ্যালকোহল স্প্রে করে দিন দেখেবেন ছারপোকা মরে যাবে।

৭. ছারপোকার হাত থেরে রেহাই পেতে আপনার বিছানা দেয়াল থেকে দূরে স্থাপন করুন। শোয়ার আগে ও পরে বিছানা ভালো করে ঝেড়ে ফেলুন সাথে পরিষ্কার পরিছন্ন থাকুন।

আমাদের পোষ্টগুলো আপনার বিন্দু মাত্র উপকারে আসলে শেয়ার করবেন প্লিজ। আপনাদের কোন অভিযোগ বা প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে করতে পারেন।ধণ্যবাদ অনলাইন রেজাল্টবিডি হেল্থ.কম এর পক্ষ থেকে।