Archive for January, 2017

স্কিপিং বা দড়ি লাফানোর ১৪টি উপকারিতা

January 31, 2017 7:51 am
স্কিপিং বা দড়ি লাফানোর ১৪টি উপকারিতা

স্কিপিং বা দড়ি লাফানোর ১৪টি উপকারিতা

স্কিপিং বা দড়ি লাফানোর ১৪টি উপকারিতা

ছেলেবেলার কথা মনে আছে? আমরা যারা একটু গ্রামে বড় হয়েছি তখন কিন্তু কিছু না বুঝেই শুধুমাত্র খেলার ছলে দড়ি লাফাতাম। তখন এতো আধুনিক স্কিপিং রোপ ছিল না। আজকাল কিন্তু সেই দড়ি লাফানো একটি দারুণ ব্যায়াম হিসেবে পরিচিত। আপনার স্বাস্থ্য ফিট রাখতে, ওজন কমাতে, শরীরের ঘাম ঝরাতে দড়ি লাফের বিকল্প খুব কম। আসুন জেনে নিই, দড়ি লাফানোর ১৪টি উপকারিতা সম্পর্কে।

(১) এটাকে একটি ভালো কার্ডিও ও হাই ইনটেনসিভ ইন্টারভেল ট্রেইনিং বলা হয়।

(২) আপনার দেহের চর্বি ঝরাতে এর জুড়ি নেই।দৌড়ানোর চেয়ে স্কিপিং বেশি ক্যালোরি বার্ন করতে সক্ষম। এক ঘন্টা স্কিপিং-এ ১৩০০ ক্যালোরি খরচ হয়!

(৩) বেশিরভাগ সময় বাইরে দৌড়াতে যেতে হবে চিন্তা করে আলসেমি ঘিরে ধরে। তবে হাতের কাছে দড়ি থাকলে আর ঘরের বাইরে যেতে হবে না । ঘরেই করতে পারবেন। তাই খারাপ আবহাওয়া আপনার ফিটনেস রুটিনে আর বাধা নয়।

(৪) এটা ব্যায়ামের সবচেয়ে সস্তা উপার । একটি রোপ হলেই হল।

(৫) এটা আপনার মাংসপেশিকে টোন করতে সাহায্য করবে।

(৬) এটা আপনার হাত পা একসাথে চালানো ব্যাল্যান্স করবে সাথে শরীরের অন্য অঙ্গ প্রতঙ্গ।তাই সব অ্যাথলেটরাই স্কিপ্পিং চর্চা করেন ।

(৭) শরীরের সামাঞ্জস্য রক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যায়াম।

৮) এতে আপনার ফুল বডি ওয়ার্ক আউট হবে। এটা থাই টান টান করতে খুব কার্যকর। এমন কি হাতের মাংসপেশিও ।

(৯) আপনার হিপের মাংসপেশি টান টান করে।
(১০) গবেষণায় দেখা গেছে যে, স্কিপিং আপনার জয়েন্টে কম চাপ তৈরি করে দৌড়ানোর চেয়ে। তাই দৌড়ানোর চেয়ে স্কিপিং

ভালো ব্যায়াম হিসেবে পরিচিত।

(১১) যেহেতু স্কিপিং এর ফলে হার্ট বিট ফার্স্ট হয় তাই এটি আপনাকে আলাদা করে কার্ডিও ভাস্কুলার এক্সারসাইজ করতে হবে না।

(১২) এই এক্সারসাইজ করতে আপনাকে একেবারে পারদর্শী হতে হবে তা নয়। বিগিনার থেকে অ্যাডভান্স সবাই এটি করতে পারবে।

(১৩) নিয়মিত এই এক্সারসাইজ হাড়ের ঘনত্ব বাড়াতে সাহায্য করে।

(১৪) স্কিপ্পিং রোপটি আপনি আপনার হাতের ব্যাগেও রাখতে পারবেন তাই আপনার ব্যায়ামের রুটিন কখনোই মিস হবে না।

স্কিপিং এর জন্য যা আপনিই মনে রাখবেন:

একটি ভালোমানের রোপ কিনবেন।

খালি পায়ে স্কিপিং করবেন নাকি জুতা পায়ে? অনেক বলে যে, খালি পায়ে স্কিপিং ভালো। এতে পায়ের অনেক সমস্যাও ভালো হয়। কিন্তু হটাৎ করে আপনি খালি পায়ে স্কিপিং করলে ব্যথা হতে পারে। তাই স্পোর্টস সু পরে স্কিপিং করাই শ্রেয়।

মেয়েদের জন্য বিশেষ করে প্রাপ্ত বয়স্ক মেয়েদের জন্য ভালো মানের স্পোর্টস ব্রা পরে স্কিপিং করা উচিৎ।

প্রথমে ধীরে ধীরে স্কিপিং করবেন এবং আস্তে আস্তে গতি বাড়াবেন ।

সমান জায়গায় স্কিপিং করবেন। উডেন ফ্লোর হলে ভালো হয়।

খোলা জায়গায় স্কিপিং করে আপনি আনন্দ পাবেন বদ্ধ জায়গার চেয়ে।

এটি একটি হাই ইনটেনসিটি ব্যায়াম তাই ওয়ার্ম আপ খুব জরুরী।

স্কিপিং এর প্রকারভেদ:

(১) ডাবল জাম্প- সবচেয়ে জনপ্রিয় স্কিপিং স্টাইল যাতে বেশি গতি চর্চা হয় আর ক্যালোরি বার্নও বেশি হয় ।
(২) ক্রস জাম্প- ইনটেনসিভ স্কিপিং স্টাইল তবে মাঝে মাঝে আপনাকে ব্রেক দিতে হবে।
(৩) এক পায়ে লাফানো- এটা অ্যাডভান্স স্কিপিং তাই ডাবল জাম্প বা ক্রস জাম্প চর্চা করে আয়ত্তে এনে তবে এটি করা উচিৎ। এতে বেশি ব্যাল্যান্স দরকার হয়।

টিপসঃ

স্কিপিং করার জন্য প্রথমে ১৫ মিনিট স্কিপিং করবেন প্রতি ১০-১৫ সেকেন্ড ইন্টারভেলে। প্রথমে ৫ মিনিট ওয়ার্মআপ করবেন।

নিজেই বানিয়ে ফেলুন লিপবাম

5:35 am
নিজেই বানিয়ে ফেলুন লিপবাম

নিজেই বানিয়ে ফেলুন লিপবাম

নিজেই বানিয়ে ফেলুন লিপবাম

বাজারে তো অনেক লিপবাম পাওয়া যায়, কিন্তু মনের মত লিপবাম খুঁজে পাচ্ছেন নাহ? রঙহীন লিপবাম চাচ্ছেন নাহ? আবার হয়তো রঙ পছন্দ হয় তো ঘ্রাণ মনমত হচ্ছে নাহ? তাহলে নিজেই কেন বানিয়ে নিচ্ছেন না পছন্দমত লিপবাম!!

ভাবছেন কিভাবে বানাবেন? খুবই সোজা আর যা যা প্রয়োজন তার সবকিছু আপনার ঘরে রয়েছে। তো আর দেরি কিসের, এক্ষুনি বানিয়ে ফেলুন।

যা লাগবেঃ

  • – ভ্যাসলিন – ১ টেবিল চামচ
  • – নারকেল/জলপাই/আমন্ড/ ল্যাভেন্ডার তেল- ১ টেবিল চামচ
  • – মধু – ১ টেবিল চামচ
  • – লিপ কালার/ লিপস্টিক – সামান্য
  • – ফ্লেভার – স্ট্রবেরি/ ভ্যানিলা/ রোজ -সামান্য

যা করতে হবেঃ

– একটা পাত্রে সব উপাদান একসাথে নিয়ে নিন।

– এখন একটা পাতিলে পানি গরম করতে দিন। পানি ফুটে উঠলে তারপর মিশ্রণের পাত্রটা রেখে গলতে দিন, সব উপাদান গলে গেলে একটা কাঠি দিয়ে ভালকরে নেড়ে দিন। সব উপাদান যেন ভালোভাবে মিক্স হয়।

– তারপর ছোট কৌটায় ঢেলে ডিপ ফ্রিজে ২ ঘণ্টার জন্য জমতে দিন।

– এইতো!! তৈরি হয়ে গেল নিজের হাতে বানানো লিপবাম।

-১-২ মাস ব্যবহার উপযোগী ঘরে তৈরি লিপবাম। তাই পরিমানে কম কম বানানো ভালো।

টিপসঃ 

লিপবামের রঙ হালকা করতে চাইলে অল্প পরিমাণে লিপস্টিক নেবেন আর রঙ গাঢ় করতে চাইলে লিপস্টিক বেশি নেবেন।

ব্রকলি ভর্তা রেসিপি

5:11 am
ব্রকলি ভর্তা রেসিপি

ব্রকলি ভর্তা রেসিপি

ব্রকলি ভর্তা রেসিপি

রেসিপি ও ছবিঃ বীথি জগলুল

সময়ঃ ১৫ মিনিট

উপকরনঃ

  • সেদ্ধ করা ব্রকোলি– ১টি
  • সেদ্ধ যেকোনো মাছ– ১/২ কাপ
  • সেদ্ধ আলু– ছোটো ১টি
  • পেঁয়াজ কুচি– ১/২ কাপ
  • বোম্বাই মরিচ কুচি– ১টি (না থাকলে কাঁচামরিচ)
  • শুকমরিচ টালা– ৮-১০টি
  • থ্যাতো করা আদা,রসুন– ১ চা চামচ করে
  • ধনেপাতা কুচি– বেশ খানিকটা
  • লবণ– স্বাদমতো
  • সরিষার তেল– পরিমাণমতো

যেভাবে করবেনঃ

ব্রকোলি, মাছ ও আলু একসাথে চটকিয়ে রাখুন। প্যানে তেল গরম করে পেঁয়াজ কুচি হালকা বাদামী করে ভেজে কাঁচামরিচ/বোম্বাই মরিচ ও ব্রকোলির মিশ্রণটি দিয়ে মিশিয়ে নিন।

এই মিশ্রণটি বেশ ভালোভাবে ভাজা ভাজা হলে ধনেপাতা কুচি মিশিয়ে নামিয়ে ফেলুন। ঠান্ডা হলে কাঁচা সরিষার তেল, আদা-রসুন ও শুকনামরিচ টালা দিয়ে ভালোভাবে মাখিয়ে নিন।

** গরম ভাতের সাথে পরিবেশন করুন।

  • আরো সুন্দর ও সুস্বাদু রেসিপি পেতে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিয়ে এক্টিভ থাকুন। 

আলু বাঁধাকপির পাকোড়া

4:56 am
আলু বাঁধাকপির পাকোড়া

আলু বাঁধাকপির পাকোড়া

আলু বাঁধাকপির পাকোড়া

রেসিপি ও ছবিঃ রুনা হোসেন

উপকরনঃ

  • আলু কুচি ১কাপ
  • বাঁধাকপি কুচি ১কাপ
  • পিয়াজ কুচি ১/৩ কাপ
  • আদা মিহি কুচি ৩ টেবিল চামচ

আরো লাগবেঃ

  • গুলমরিচ গুড়া ১/২ চা চামচ
  • কাঁচামরিচ কুচি ১-২ টেবিল চামচ
  • ধনেপাতা কুচি ১/৩ কাপ।
  • ডিম ১ টা
  • কর্ন ফ্লাওয়ার ২-৩ টেবিল চামচ
  • ময়দা ৫-৬ টেবিল চামচ
  • লবন পরিমান মত
  • তেল ভাজার জন্য

পদ্ধতিঃ 

আগে বলে নেই, কর্ন ফ্লাওয়ার এবং ময়দা শুধুমাত্র বাইন্ডিং মচমচে করার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে, বেশী কর্ন ফ্লাওয়ার এবং ময়দা ব্যবহার করলে পাকোড়া মচমচে হবে না। ভিতরে তেল ঢুকে নরম হয়ে যাবে।

আলু, বাঁধাকপি কুচি করার আগে ধুয়ে নিন। একটা বাটিতে আলু, বাঁধাকপির কুচি নিন সাথে তেল ছারা বাকি সব উপকরন দিয়ে মাখিয়ে নিন। তেল গরম করে ডুবো তেলে বাদামি করে ভেজে পেপার টাওয়েলের উপর রাখুন এতে পাকোড়ার বাড়তি তেল চুষে নিবে।

সব সময় পাকোড়া মিডিয়ামের চেয়ে একটু বেশী আঁচে ভাজতে হয়, এতে করে পাকোড়া তৈলাক্ত ভাব কম হয়। গরম গরম পাকোড়া টমেটো কেচাপ/হটসসের সাথে পরিবেশন করুন।

  • আরো সুন্দর ও সুস্বাদু রেসিপি পেতে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিয়ে এক্টিভ থাকুন। 

সবজি দিয়ে ভুনা খিচুড়ি

4:21 am
সবজি দিয়ে ভুনা খিচুড়ি

সবজি দিয়ে ভুনা খিচুড়ি

সবজি দিয়ে ভুনা খিচুড়ি

রেসিপি ও ছবিঃ সায়মা সুলতানা

উপকরনঃ

  • পোলাও চাল ১ কাপ
  • মিক্স সবজি ( গাজর আলু বরবটি টমেটো পেপে টুকরা )
  • পেয়াজ কুচি
  • আদা রসুন ২ টেবিল চামুচ
  • হলুদ মরিচ ধনিয়া গুড়া মিলে ২ চা চামুচ

আরো লাগবেঃ

  • জিরা গুড়া ১ চা চামুচ
  • এলাচি দারচিনি তেজপাতা কয়েকটা
  • আস্ত জয়েত্রী ২ -৩ টুকরা
  • লবন স্বাদমত
  • ধনিয়া পাতা কুচি
  • তেল ২ টেবিল চামুচ
  • অল্প মাখন

প্রনালিঃ

হাড়িতে তেল দিয়ে পেয়াজ কুচি লাল করে ভেজে নিন। এবার একে একে আদা রসুন ২ টেবিল চামুচ হলুদ মরিচ ধনিয়া গুড়া মিলে ২ চা চামুচ জিরা গুড়া ১ চা চামুচ এলাচি দারচিনি তেজপাতা কয়েকটা আস্ত জয়েত্রী ২ -৩ টুকরা লবন স্বাদমত দিয়ে মশলা টা কষিয়ে এতে চাল এর সবজি দিয়ে দিন। নারাচারা করে ২ কাপ গরম পানি দিয়ে রান্না করুন ২০ মিনিট। পানির আন্দাজ টা কম বেশি হতে পারে, একটু দেখে দিবেন।

নামানোর আগে ধনিয়া পাতা কুচি দিন। এর একটু খানি গরম মাখন ছিটিয়ে দিন। পেয়াজ বেরেস্তাও দিতে পারেন। টুকরা করা লেবুর পিস দিয়ে সাজিয়ে গরম গরম ডিম ভাজির সাথে পরিবেশন করুন এই হালকা মশলার সবজি খিচুড়ি ।

  • আরো সুন্দর ও সুস্বাদু রেসিপি পেতে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিয়ে এক্টিভ থাকুন। 

চিকেন মাসালা ফ্রাই

4:03 am
চিকেন মাসালা ফ্রাই

চিকেন মাসালা ফ্রাই

চিকেন মাসালা ফ্রাই

আজ কি রান্না করছেন? সেই একই মুরগির ঝোল? উত্তরটা যদি হ্যাঁ হয়ে থাকে, তাহলে ঝটপট দেখে নিন এই রেসিপিটি। কোন বাড়তি উপকরণ ছাড়াই সেই অতি পুরনো মুরগির স্বাদে আসবে একদম নতুনত্ব। তৈরি করতে সময় লাগবে না মোটেই, অভিজ্ঞ রাঁধুনি হবারও দরকার নেই। একদম নতুন রাঁধুনিরাও খুব সহজে রেঁধে ফেলতে পারবেন দারুণ মজার এই খাবারটি। আর পরিবেশন করতে পারবেন যে কোন কিছুর সাথে।

রেসিপি ও ছবিঃ সায়মা সুলতানা

উপকরনঃ

  • মুরগির রানের পিস ২ টা
  • আদা বাটা ২ চা চামুচ
  • রসুন বাটা ১ চা চামুচ
  • পেয়াজ বাটা ১ চা চামুচ
  • এলাচি গুড়া হাফ চামুচ
  • লবন স্বাদমত
  • ক্রিম যেকোনো হাফ কাপ অথবা টক দই হাফ কাপ

– এসব কিছু মাখিয়ে মেরিনেট করে রাখুন ২ ঘন্টা

প্রনালিঃ

এবার প্যান এ তেল ৪ টেবিল চামুচ তেল দিন। এই মশলা মাখা মুরগির পিসগুলি কে তেলে দিয়ে ভাজা ভাজা করে নিন। ঢাকনা লাগিয়ে কম আঁচে ভাজুন ২০ মিনিট। কোনো পানি দেয়া লাগবে না।

এবার এই ভাজা মুরগি টা তে পেয়াজ কুচি, মরিচ কুচি, ধনিয়া পাতা কুচি, অল্প লেবুর রস, টমেটো টুকরা পেয়াজ পাতা, অল্প মিহি আদা কুচি দিয়ে আরো ২ মিনিট রান্না করে নামিয়ে নিন।

যেকোনো নান, চালের রুটি কিনবা পরোটা এর সাথে গরম গরম পরিবেশন করুন।

  • আরো সুন্দর ও সুস্বাদু রেসিপি পেতে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিয়ে এক্টিভ থাকুন। 

সারাবছরের জন্য ধনেপাতা সংরক্ষন করবেন যেভাবে

3:47 am
সারাবছরের জন্য ধনেপাতা সংরক্ষন করবেন যেভাবে

সারাবছরের জন্য ধনেপাতা সংরক্ষন করবেন যেভাবে

সারাবছরের জন্য ধনেপাতা সংরক্ষন করবেন যেভাবে

রেসিপি ও ছবিঃ সুমি’স কিচেন

অসময়ে ধনেপাতার স্বাদ ও ঘ্রান পেতে চাইলে এখনই সংরক্ষণ করুন।

সংরক্ষনের পদ্ধতিঃ

– ধনেপাতা গুলো গোড়ার অংশ ফেলে পাতাগুলো ভাল করে ধুয়ে নিন।

– পানি ঝরিয়ে পেপারের উপর বিছিয়ে দিন।

– ২-৩ দিন কড়া রোদে শুকিয়ে মচমচে করে নিন।

– তারপর  গ্রিন্ডারে বা পাটায় গুড়ো করে নিন।

– তারপর বায়ুরোধী পাত্রে রেখে সারাবছর ব্যবহার করুন।

** পেয়াজ মরিচ মাখানো ধনিয়া পাতা

** ধনেপাতা ভর্তা রেসিপি

  • আরো সুন্দর ও সুস্বাদু রেসিপি পেতে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিয়ে এক্টিভ থাকুন। 

বীফ কিমা উইথ টমেটো পেস্ট

3:29 am
বীফ কিমা উইথ টমেটো পেস্ট

বীফ কিমা উইথ টমেটো পেস্ট

বীফ কিমা উইথ টমেটো পেস্ট

রেসিপি ও ছবিঃ ফারহিন রহমান

উপকরনঃ

  • – কিমা ১/২ কেজি
  • – আলু কিউব ১ কাপ
  • – মোটর শুটি ১/২ কাপ
  • – টমেটো পেস্ট ১ টেবিল চামচ (রেডি মেড)
  • – মরিচ গুড়া ১ চা চামচ
  • – হলুদ গুড়া ১/২ চা চামচ
  • – ধনে জিরা গুড়া দেড় চা চামচ

আরো লাগবেঃ-

  • – লবন সাদ মত
  • – আদা বাটা ১ টেবিল চামচ
  • – রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ
  • – পিয়াজ বাটা ২ টেবিল চামচ
  • – পিয়াজ কুচি ১ কাপ
  • – আস্ত জিরা ১/২ চা চামচ
  • – এলাচ ৩-৪ টি
  • – দারচিনি ২ টি
  • – গোলমরিচ ৫-৬ টি
  • – জয়ফল জয়ত্রী গুড়া ১/২ চা চামচ
  • – আস্ত কাঁচা মরিচ ৭-৮ টি
  • – তেল প্রয়োজন মত
  • – চিনি সামান্য

প্রস্তুত প্রণালীঃ

প্যানে তেল গরম করে জিরা ফোড়ন দিয়ে পিয়াজ কুচি দিয়ে দিতে হবে। পিয়াজ হালকা ভাজা হলে আস্ত গরম মশলা দিয়ে কিমা দিয়ে একে একে বাটা মশলা, গুড়া মশলা দিয়ে অল্প আচে কসাতে হবে।

এরপর আলু মটরশুটি আরো একটু কসিয়ে ঢেকে দিয়ে রান্না করতে হবে। প্রয়োজনে একটু পানি দিতে হবে। রান্না হয়ে আসলে টমেটো পেস্ট, কাঁচা মরিচ আর চিনি দিয়ে আরও কিসুক্ষন নেড়েচেড়ে নামিয়ে ফেলতে হবে।

  • আরো সুন্দর ও সুস্বাদু রেসিপি পেতে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিয়ে এক্টিভ থাকুন। 

কালোজাম মিষ্টি রেসিপি

3:03 am
কালোজাম মিষ্টি রেসিপি

কালোজাম মিষ্টি রেসিপি / Kalojam Misti

কালোজাম মিষ্টি রেসিপি / Kalojam Misti

রেসিপি ও ছবিঃ ফাতেমা রহমান

উপকরণঃ

  • মাওয়া ১ কাপ,
  • ময়দা ১/২ কাপ,
  • ঘি ১ টেবিল চামচ,
  • গুঁড়া চিনি ১ টেবিল চামচ,
  • লাল ফুড কালার সামান্য।

মাওয়া তৈরিঃ

  • গুঁড়া দুধ ১ কাপ,
  • আইসিং সুগার ২ টেবিল চামচ,
  • ঘি ১ টেবিল চামচ,
  • গোলাপ জল ১ চা চামচ।
  • সব একসঙ্গে মিলিয়ে চালনি দিয়ে চেলে নিতে হবে।

সিরা তৈরিঃ

  • চিনি ৩ কাপ,
  • পানি ৪ কাপ,
  • এলাচ ৩-৪ টা,
  • গোলাপ জল ১ চা চামচ।

সব একসঙ্গে মিলিয়ে জ্বাল করে সিরা বানাতে হবে।

প্রণালীঃ

শুকনা ময়দায় ঘি ও চিনি দিয়ে ময়ান দিতে হবে। মাওয়া ঝুরি করে নিতে হবে।

ময়দা, মাওয়া, ও food colour মিলিয়ে ভালো করে মেখে মসৃণ খামির বানাতে হবে।

ছোট ছোট কালো জাম বানিয়ে ডুবোতেলে অল্প আঁচে লাল করে ভেজে (কালোজাম কড়া করে ভাজতে হবে) গরম সিরায় ছাড়তে হবে।

৮-১০ মিনিট জ্বাল করে চুলা বন্ধ করে রেখে দিতে হবে। ঠান্ডা হলে সিরা থেকে তুলে মাওয়ায় গড়িয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

  • আরো সুন্দর ও সুস্বাদু রেসিপি পেতে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিয়ে এক্টিভ থাকুন। 

কোমল গোলাপি ঠোঁট পাবার ১১টি সহজ উপায়

2:23 am
কোমল গোলাপি ঠোঁট পাবার ১১টি সহজ উপায়

কোমল গোলাপি ঠোঁট পাবার ১১টি সহজ উপায়

কোমল গোলাপি ঠোঁট পাবার ১১টি সহজ উপায়

কে না চায় একজোড়া সুন্দর ও আকর্ষণীয় ঠোঁট? কেবল একজোড়া স্বাস্থ্যজ্জ্বল ঠোঁটই আপনার হাসিকে করে তুলতে পারে আরো আকর্ষণীয়, চেহারাকে করে তুলতে পারে মোহনীয়। আর তাই জেনে নিন ঠোঁটকে সুন্দর রাখার উপায়গুলো।

সুন্দর গোলাপি ঠোঁট পেতে যা করবেনঃ

১. একটি পাতলা লেবুর টুকরোর ওপরে খানিকটা চিনি ছিটিয়ে প্রতিদিন ঠোঁটে ঘষুন। চিনি ঠোঁটের মরা চামড়াগুলোকে পরিষ্কার করতে এবং লেবু সূর্যের ফলে কালো হয়ে যাওয়া ঠোঁটের চামড়াকে উজ্জবল করতে সাহায্য করে।

২. মধুর সাথে চিনি এবং কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল মিশিয়ে ১০ মিনিট ঠোঁটে ঘষুন।

৩. ঠোঁটকে উজ্জ্বল করতে ল্যাক্টিক এ্যাসিড খুব উপকারী। নিয়মিত দুধ খাবার সাথে সাথে খানিকটা দুধ তুলোয় করে ঠোঁটে ঘষে নিন। শুষ্ক চামড়াকে তুলে ফেলার মাধ্যমে দুধ ঠোঁটের কালো হওয়াকেও প্রতিরোধ করে।

৪. গোলাপের পাপড়িও ঠোঁটের গোলাপী ভাব আনতে সাহায্য করে। এজন্য গোলাপের পাপড়ি দুধের মধ্যে রেখে তাতে মধু ও গ্লিসারিন মিশিয়ে নিন। প্রলেপটি ১৫ মিনিট ঠোঁটে মাখুন। এরপর দুধ দিয়ে ঠোঁটকে মুছে নিন। প্রতিদিন এই প্রলেপটির ব্যবহার আপনার ঠোঁটকে করে তুলবে আকর্ষনীয়।

৫. লেবুর ভেতরের এসিড ঠোঁটের শুষ্ক চামড়াকে তুলে ফেলতে সাহায্য করে। তবে লেবুর রসের সাথে খানিকটা চিনি ও মধু মিশিয়ে ঘরে বসেই নিতে পারেন ঠোঁটের পুরোপুরি যত্ন। প্রলেপটি মাখার একঘন্টা পর ধুয়ে নিন।
৬. লেবুর রসের সাথে খানিকটা গ্লিসারিন মিশিয়ে ঠোঁটে মাখুন। কয়েকদিনেই আপনি পাবেন চমত্কার ফলাফল।
৭. বাদামের তেল, মধু ও চিনির মিশ্রন করুন। প্যাকটি আপনার ঠোঁটকে কেবল সুন্দরই করবে না, কোমলতাও বাড়াবে।

৮. ঘুমানোর আগে ঠোঁটে পালং পাতা ঘষে নিন। সাথে রাখতে পারেন জাফরানও। এই দুটি সহজলভ্য উপাদানের নিয়মিত ব্যবহার আপনার শুষ্ক ঠোঁটকে সারিয়ে তুলবে এক নিমিষেই।

৯. কমলালেবু খাবার সময় এর বীচিগুলোকে সংরক্ষণ করুন এবং নিয়মিত ঠোঁটকে এগুলোর দ্বারা পরিষ্কার করুন।

১০. প্রতিদিন টমেটো পেষ্ট করে ঠোঁটে মাখুন। আপনার ঠোঁট হবে উজ্জ্বল।

১১. শশার রসও ঠোঁটের কালো হওয়কে প্রতিরোধ করে। ফলাফল পেতে প্রতিদিন অন্তত ৫ মিনিট শসার রস ঠোঁটে ঘষুন।

মনে রাখবেনঃ

১. ধুমপান ঠোঁটের জন্যে ক্ষতিকর। তাই ধুমপান থেকে বিরত থাকুন।

২. রাতে ঘুমাতে যাবার আগে লিপস্টিক তুলে ফেলতে ভুলবেননা।

৩. জিহ্বা দিয়ে অবিরত ঠোঁট ভেজানো বন্ধ করুন। এতে সাময়িক আরাম মিললেও আসলে ঠোঁটের সৌন্দর্য হানি হয়। বদলে ব্যবহার করুন লিপজেল।

৪. ফাস্টফুডের পরিবর্তে শাক-সব্জী খাওয়ার পরিমাণ বাড়ান।

৫. চা এবং কফির পরিবর্তে পানি খাবার পরিমাণ বাড়ান। প্রচুর পরিমাণে পানি আপনার ঠোঁটকে রাখতে পারে সুস্থ ও স্বাভাবিক সৌন্দর্যময়।